Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
মেলান্দহ

মেলান্দহে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে দলিল লেখার অভিযোগ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে

মেলান্দহে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে দলিল লেখার অভিযোগ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে

সাজ্জাদ হোসাইন শাহিন ।।

জামালপুরের মেলান্দহ মহিলা কারিগরি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. জাহিদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে নিয়মিত ক্লাস না নিয়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখকের কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। কলেজে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই তিনি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চলে যান বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা। এতে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি তাদের।
রবিবার (১১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে সরেজমিনে কলেজে গিয়ে অনুপস্থিত দেখা যায়। তখন তিনি দলিল লেখার কাজে মেলান্দহ সাব রেজিস্ট্রার অফিসে অবস্থান করেন।
জানা যায়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহিদুল ইসলাম এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে সরকারি রাজস্ব থেকে নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করছেন। তবে তিনি কলেজে উপস্থিত হয়ে কখনও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করার পর আবার কখনও সাক্ষর না করেই মেলান্দহ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চলে যান এবং সেখানে দলিল লেখার কাজে সময় কাটান বলে অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, “আমাদের নিয়মিত ক্লাস হয় না। স্যার কলেজে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চলে যান। এতে আমাদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে। নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”
এদিকে, একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দলিল লেখকের কাজ করার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পাঠদান নিশ্চিত করতে এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকার যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।
জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাসলিম জানান, খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies