Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
মতামত

উপসাগরীয় অঞ্চলে অনাক্রমণ চুক্তিই হতে পারে উত্তরণের পথ

উপসাগরীয় অঞ্চলে অনাক্রমণ চুক্তিই হতে পারে উত্তরণের পথ

আবদুল্লাহ বাবুদ ||

উপসাগরীয় অঞ্চলে যখন সংঘাত ও উত্তেজনা চলছে, তখন অনাক্রমণ চুক্তির প্রস্তাব অনেকের কাছে সময়ের আগেই নেওয়া উদ্যোগ বলে মনে হতে পারে। তবে অবিশ্বাস যখন সবচেয়ে গভীর, তখনই যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। মূল প্রশ্ন হলো, আঞ্চলিক দেশগুলো কি এমন কিছু অভিন্ন নিয়মে একমত হতে পারবে, যার মাধ্যমে পারস্পরিক বিরোধের কারণে বড় ধরনের সংঘাত এড়ানো সম্ভব?

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া এক বক্তৃতায় ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ বদর আলবুসাইদি উপসাগরীয় অঞ্চলের আটটি দেশের মধ্যে একটি অনাক্রমণ চুক্তি করার আহ্বান জানিয়েছেন। দেশগুলো হলো উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) ছয় সদস্য সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমান এবং ইরাক ও ইরান। তাঁর মতে, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য এ ধরনের চুক্তি অপরিহার্য।

চুক্তিটি বাস্তবায়ন সহজ হবে না, তা ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও স্বীকার করেছেন। কিন্তু ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কার মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলকে একটি কার্যকর কূটনৈতিক পথ খুঁজে বের করতে হবে।

বস্তুত, এ অঞ্চলের সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার অন্যতম কারণ হলো, এখানে কার্যকর আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তার জন্য বাইরের শক্তির ওপর নির্ভর করা হয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন এমন একটি সমঝোতা, যেখানে সংশ্লিষ্ট সব দেশ সমানভাবে অংশ নিতে পারবে।

১৯৭৬ সালের উদ্যোগ ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনা

ওমানের প্রস্তাবের পেছনে রয়েছে একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট। ১৯৭৬ সালের নভেম্বরে ব্রিটেনের উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সরে যাওয়ার পর সম্মিলিত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার জন্য আটটি উপকূলীয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ওমানের রাজধানী মাসকাটে বৈঠকে বসেছিলেন।

এখন পর্যন্ত সেটিই একমাত্র ঘটনা, যখন উপসাগরীয় অঞ্চলের আটটি দেশ একই টেবিলে বসে নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেছে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ইরানের ইসলামি বিপ্লব, আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসন এবং ইরান-ইরাক যুদ্ধ পরিস্থিতিকে বদলে দেয়। আঞ্চলিক নিরাপত্তার উদ্যোগ ক্রমেই সীমিত হয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে তা ইরানকে বাদ দিয়ে গড়ে ওঠা প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থায় রূপ নেয়।

বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে ইরানকে উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। কিন্তু উপসাগরীয় উপকূলের প্রায় অর্ধেকই ইরানের নিয়ন্ত্রণে। ফলে দেশটিকে বাইরে রেখে কোনো আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলা হলে তা শুরু থেকেই দুর্বল ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে।

২০১৯ সালে আবারও আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলার ধারণাটি আলোচনায় আসে। ওই বছরের মে মাসে ইরানের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ বাগদাদ সফরে গিয়ে উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের সঙ্গে একটি অনাক্রমণ চুক্তির প্রস্তাব দেন। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও এ উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানান।

একই বছরের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি হরমুজ শান্তি উদ্যোগ (হোপ) ঘোষণা করেন। এর লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালিসংলগ্ন দেশগুলোর মধ্যে একটি অনাক্রমণ চুক্তি প্রতিষ্ঠা করা। তবে ইরানের বিরুদ্ধে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিতকারী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ তুলে উপসাগরীয় দেশগুলো প্রস্তাবটিকে তেমন গুরুত্ব দেয়নি।

এ বছরের ইরানবিরোধী যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের পর আরব দেশগুলোর মধ্যেও নতুন করে এ ধরনের উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। মে মাসে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানায়, সৌদি আরব ইরানের সঙ্গে একটি অনাক্রমণ কাঠামো নিয়ে আলোচনা করছে। ধারণা করা হচ্ছে, শীতল যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে গড়ে ওঠা হেলসিংকি প্রক্রিয়ার আদলে এ উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

চলতি মাসে কাতারের প্রতিরক্ষামন্ত্রীও তুরস্ক ও পাকিস্তানকে সঙ্গে নিয়ে জিসিসি ও ইরানের মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে একটি অনাক্রমণ চুক্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন।

এই ধারাবাহিকতার সর্বশেষ উদ্যোগ হিসেবে সামনে এসেছে ওমানের প্রস্তাব। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দেশটির বিশেষ অবস্থান রয়েছে। অতীতে বিভিন্ন আঞ্চলিক বিরোধে মধ্যস্থতা করেছে ওমান। ২০২৫ সাল এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার আয়োজন করেছিল দেশটি। ফলে উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের এমন সুযোগ ওমানের রয়েছে, যা অন্য অনেক দেশের নেই।

কার্যকর চুক্তির শর্ত কী হতে পারে

ইরানের সঙ্গে অনাক্রমণ চুক্তির সবচেয়ে বড় আপত্তি হলো, যে রাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে বারবার হুমকির মুখে ফেলেছে, তাকে কীভাবে বিশ্বাস করা যাবে? ইরানের ভূমিকা নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর উদ্বেগকে নিছক ভুল বোঝাবুঝি বলে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। এমনকি ওমানও গত জুলাইয়ে মুসান্দাম ও আল উস্তা অঞ্চলে ড্রোন হামলার ঘটনায় ইরানের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছিল।

তাই শুধু আশ্বাস দিয়ে এ ধরনের চুক্তি কার্যকর করা সম্ভব নয়। চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার অর্থ হতে হবে নির্দিষ্ট কিছু বাধ্যবাধকতা মেনে চলা। অন্য দেশগুলোর মতো ইরানকেও চুক্তির শর্তের আওতায় আসতে হবে। এর মাধ্যমে হুমকিমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ন্যায্য উদ্বেগ মোকাবিলার ব্যবস্থা থাকতে হবে।

একটি কার্যকর চুক্তির ভিত্তি হওয়া উচিত দৃশ্যমান আচরণ, পারস্পরিক সংযম এবং শর্ত লঙ্ঘনের পরিণতি। অন্তত কয়েকটি বিষয়ে দেশগুলোর অঙ্গীকার প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে একে অপরের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ বা শক্তি প্রয়োগের হুমকি না দেওয়া, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, বেসামরিক অবকাঠামোয় হামলা না চালানো, সীমান্তপারের হামলায় জড়িত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা না দেওয়া এবং নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

একটি কার্যকর সমঝোতায় পৌঁছাতে ধাপে ধাপে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া যেতে পারে। প্রথম পর্যায়ে আটটি দেশের মধ্যে পরামর্শের মাধ্যমে কিছু অভিন্ন স্বার্থ চিহ্নিত করা জরুরি। এর মধ্যে রয়েছে ভূখণ্ডের নিরাপত্তা, বন্দরগুলোর কার্যক্রম সচল রাখা, জ্বালানি রপ্তানির ধারাবাহিকতা, বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা এবং নির্বিঘ্ন বাণিজ্য।

এ ক্ষেত্রে ওমান মধ্যস্থতা করতে পারে। তবে আলোচনায় প্রতিটি দেশকে নিজেদের স্বার্থ ও অবস্থান নিজেকেই তুলে ধরতে হবে। তেহরানের সঙ্গে মাসকাটের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকার অর্থ এই নয় যে, ওমান অন্য উপসাগরীয় দেশগুলোর হয়ে আলোচনা করার অধিকার পাবে।

প্রাথমিক আলোচনার ফল হিসেবে কিছু সীমিত কিন্তু পারস্পরিক পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। যেমন, সামরিক বাহিনীর মধ্যে জরুরি যোগাযোগের হটলাইন চালু, সমুদ্রপথে জাহাজ ও সামরিক বাহিনীর চলাচলের নিয়ম নির্ধারণ, সামরিক মহড়ার আগাম তথ্য বিনিময় এবং কোনো হামলার পর দ্রুত যোগাযোগের ব্যবস্থা করা।

জ্বালানি স্থাপনা, পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্র ও বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সমঝোতা হতে পারে চুক্তির কার্যকারিতা যাচাইয়ের প্রথম পরীক্ষা।

এ ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালি হতে পারে আলোচনার সূচনা। যদিও এ বিষয়ে অগ্রগতি অর্জন সহজ হবে না। ওমান ও ইরানের মধ্যে নৌ চলাচল নিয়ে একটি অস্থায়ী সমঝোতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বীকার করেছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতা ছাড়া এটি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এ জন্য যুদ্ধকালীন এমন পদক্ষেপও প্রত্যাহার করতে হবে, যার ফলে সমুদ্রপথে চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। যেকোনো বৃহত্তর আঞ্চলিক কাঠামোতে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের অধিকারও নিশ্চিত করতে হবে।

সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ভূমিকা নিয়ন্ত্রণ করা হবে সবচেয়ে কঠিন বিষয়। এ ধরনের গোষ্ঠীর মাধ্যমে সীমান্তপারে হামলা পরিচালনা কিংবা তাদের বস্তুগত সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে কোনো সরকারই যেন জড়িত না থাকে, সে অঙ্গীকার প্রয়োজন। পাশাপাশি তা বাস্তবে মানা হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ের ব্যবস্থাও থাকতে হবে। কোনো গোষ্ঠীর ওপর সংশ্লিষ্ট সরকারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ থাকলে, সে ক্ষেত্রে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করতে হবে।

প্রাথমিক শর্তগুলো মেনে চলার মাধ্যমে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে। চুক্তির গুরুতর লঙ্ঘনের ঘটনায় তদন্ত, জরুরি আলোচনা এবং সম্মত কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে। তবে কোনো দেশের আত্মরক্ষার অধিকার অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।

এ ধরনের আঞ্চলিক চুক্তি উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব সংঘাতের অবসান ঘটাতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এ বছরের ইরানবিরোধী যুদ্ধে সরাসরি জড়িত থাকলেও প্রস্তাবিত চুক্তির বাইরে থাকবে। অন্যদিকে ইয়েমেনের যুদ্ধেও এমন কিছু পক্ষ জড়িত, যাদের কর্মকাণ্ড উপসাগরীয় দেশগুলোর কোনো সমঝোতার আওতায় আনা কঠিন।

তবে একটি চুক্তিকে সফল হতে হলে সব যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হবে, এমন নয়। এর লক্ষ্য হতে পারে অন্তত সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে সরাসরি যুদ্ধের ঝুঁকি কমিয়ে আনা। কোনো একটি আঞ্চলিক বিরোধ যেন চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর মধ্যে বৃহত্তর সংঘাতে রূপ নিতে না পারে, সেটিই হবে বড় অর্জন।

শেষ পর্যন্ত এ চুক্তির বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করবে দেশগুলোর আচরণে কতটা পরিবর্তন আসে তার ওপর। হামলা কমে আসা বা বন্ধ হওয়া, সংকটের সময় যোগাযোগব্যবস্থা সচল থাকা এবং একে অপরের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনই হবে চুক্তির প্রকৃত সাফল্যের মাপকাঠি। কেবল কাগজে স্বাক্ষর করলেই কোনো উদ্যোগ সফল হয় না।

বর্তমান সংঘাত ও অবিশ্বাসের পরিবেশে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন কঠিন। কিন্তু একই সঙ্গে এ পরিস্থিতি দেখিয়ে দিয়েছে, আঞ্চলিক সমঝোতা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ পিছিয়ে দেওয়ার মূল্য কতটা ভয়াবহ হতে পারে।

এই উদ্যোগের প্রথম অর্জন হয়তো খুব বড় কিছু হবে না। তবে তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। সেটি হলো, কোনো দেশের সঙ্গে মতবিরোধ থাকলেই তার নিরাপত্তা বিপন্ন করার অধিকার অন্য কোনো দেশের নেই, এই নীতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে একমত করা।- আলজাজিরা

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies