Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
মতামত

প্রকৃতি রক্ষায় এখনই প্রয়োজন ইতিবাচক পরিবর্তনের গতি বাড়ানো

প্রকৃতি রক্ষায় এখনই প্রয়োজন ইতিবাচক পরিবর্তনের গতি বাড়ানো

কার্স্টেন স্কাউট || প্রকৃতি মানবজাতির জীবনধারণের প্রধান অবলম্বন। অথচ উদ্বেগজনক হারে ক্ষয় হচ্ছে এই প্রাকৃতিক সম্পদ, ক্রমেই বাড়ছে আমাদের পৃথিবীর ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ার আশঙ্কা। প্রাণঘাতী তাপপ্রবাহ, ভয়াবহ দাবানল, বিধ্বংসী বন্যা থেকে শুরু করে দীর্ঘস্থায়ী খরা, চলতি বছর পরিবেশগত পরিবর্তনের প্রভাব কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। এর মধ্যে এল নিনোর প্রভাব আরও তীব্র হওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে। ফলে মানুষ, প্রকৃতি ও অর্থনীতির ওপর ঝুঁকি আরও বাড়ছে।

প্রকৃতির এই সংকট আরও গভীর হয়ে উঠছে জীববৈচিত্র্যের ব্যাপক ক্ষয়ের কারণে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচার (ডব্লিউডব্লিউএফ) প্রকাশিত লিভিং প্ল্যানেট রিপোর্ট ২০২৬ অনুযায়ী, ১৯৭০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে পর্যবেক্ষণাধীন বন্যপ্রাণীর বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর গড় আকার ৭৩ শতাংশ কমেছে। প্রকৃতির এই অবক্ষয় এখন আর শুধু পরিবেশগত সমস্যা নয়, বরং অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি। খাদ্য ও পানির নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য, সরবরাহব্যবস্থা এবং ভূরাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর এর প্রভাব পড়ছে।

পরিস্থিতি গুরুতর হলেও আশার জায়গা এখনো রয়েছে। বিজ্ঞান বলছে, প্রকৃতির এই অবক্ষয় রোধ করা সম্ভব। প্রকৃতির ক্ষতির জন্য দায়ী অর্থনৈতিক ব্যবস্থাগুলোকে পরিবর্তন করা যায়, আর সেই পরিবর্তনের গতি অনেকের ধারণার চেয়েও দ্রুত হতে পারে। সঠিক পরিবেশ ও নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে ইতিবাচক পরিবর্তন এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যেখান থেকে তা নিজস্ব গতিতেই আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। এর ফলে নিরাপদ ও সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সম্ভাবনা বাস্তব হয়ে উঠবে।

এখন মূল প্রশ্ন হলো, কীভাবে প্রয়োজনীয় উদ্যোগগুলোকে আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া যায়, যাতে ইতিবাচক পরিবর্তন একটি নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করে বৃহত্তর ব্যবস্থার রূপান্তর ঘটাতে পারে?

প্রকৃতির সংকট মোকাবিলায় ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ

পরিবেশগত আলোচনায় ‘টিপিং পয়েন্ট’ বা পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণ বলতে সাধারণত এমন একটি পর্যায়কে বোঝানো হয়, যখন কোনো ব্যবস্থায় ছোট বা ধারাবাহিক পরিবর্তন দ্রুত বড় রূপান্তর ঘটাতে পারে। প্রবালপ্রাচীর কিংবা আমাজন অরণ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বাস্তুতন্ত্রের ক্ষেত্রে এই সন্ধিক্ষণ বিপর্যয়ের কারণ হয়ে উঠতে পারে। অব্যাহত ক্ষতির ফলে এসব পরিবেশব্যবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যেখান থেকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত কঠিন, এমনকি অসম্ভবও হয়ে পড়তে পারে।

এই বিপদ বাস্তব এবং জরুরি। তবে একই পরিবর্তনপ্রক্রিয়াকে প্রকৃতি রক্ষার কাজেও ব্যবহার করা সম্ভব। অর্থাৎ, ক্ষতিকর পরিবর্তনের পরিবর্তে ইতিবাচক পরিবর্তনকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া, যেখান থেকে তা নিজেই আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে।

বিশ্বজুড়ে প্রকৃতির অবক্ষয়ের পেছনে প্রধানত তিনটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কাজ করছে। প্রথমটি জ্বালানি ব্যবস্থা, যা জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করছে। দ্বিতীয়টি বৈশ্বিক খাদ্যব্যবস্থা, যার উৎপাদন ও সরবরাহপ্রক্রিয়া বন উজাড়, আবাসস্থল ধ্বংস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম কারণ। তৃতীয়টি অর্থায়নব্যবস্থা, যা এসব ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডে অর্থ জোগায়।

এই তিনটি ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণ তৈরি করা গেলে প্রকৃতি ও জলবায়ুর ক্ষতি কমিয়ে দ্রুত রূপান্তর ঘটানো সম্ভব। একবার সেই পর্যায়ে পৌঁছানো গেলে প্রযুক্তির উন্নতি, জ্ঞানের বিস্তার এবং মানুষের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব সমাধানগুলো আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হয়ে উঠবে। ফলে পরিবর্তনের গতি আরও বাড়বে।

ইতোমধ্যে কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে। যদিও তা সব জায়গায় সমান নয় এবং প্রয়োজনীয় মাত্রায়ও পৌঁছায়নি, তবু এসব উদ্যোগ প্রমাণ করে যে পরিবর্তন সম্ভব।

২০৩০ সালের মধ্যে অর্জন করার মতো বৈশ্বিক লক্ষ্যের অভাব নেই। ঘাটতি রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নের গতিতে। জীববৈচিত্র্যবিষয়ক বৈশ্বিক কাঠামো, জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং প্যারিস জলবায়ু চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বনেতারা পরিবর্তনের একটি পথরেখায় সম্মত হয়েছেন। এখন প্রয়োজন এসব অঙ্গীকার পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা। তাহলেই বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থায় দ্রুত পরিবর্তনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পরিবর্তন, অন্য খাতের জন্যও শিক্ষা

বৈশ্বিক জ্বালানি ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তনের গতি ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছেছে। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে অগ্রসর হওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুততর হচ্ছে। যদিও এই রূপান্তর এখনো সম্পূর্ণ হয়নি, তবু এটি দেখিয়েছে যে বড় ধরনের ব্যবস্থাগত পরিবর্তন অল্প সময়ের মধ্যেও সম্ভব। খাদ্য ও অর্থায়নব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রেও এই অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিতে পারে।

দুই দশক আগেও সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার মূলত স্যাটেলাইট ও পকেট ক্যালকুলেটরের মতো সীমিত কিছু ক্ষেত্রে দেখা যেত। অথচ বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ দেশে নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদনের সবচেয়ে সাশ্রয়ী বিকল্পগুলোর একটি সৌরবিদ্যুৎ। সহজলভ্য সৌরপ্যানেল গ্রামীণ পরিবারের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে সহায়তা করছে। একই সঙ্গে খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রীর সরবরাহব্যবস্থাকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রযুক্তিগুলো যে গতিতে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হয়ে উঠছে, এক দশক আগেও অনেকের পক্ষে তা কল্পনা করা কঠিন ছিল। এই অভিজ্ঞতা দেখায়, সঠিক নীতি, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং অর্থনৈতিক প্রণোদনা একসঙ্গে কাজ করলে পরিবর্তনের গতি কতটা বাড়তে পারে।

তবে খাদ্য ও অর্থায়নব্যবস্থায় একই ধরনের পরিবর্তন আনা তুলনামূলক ধীরগতির। অথচ এ দুটি খাতেও রূপান্তর ঘটানো সমান জরুরি।

খাদ্যব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হলে প্রকৃতিবান্ধব উৎপাদনপদ্ধতির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশের জন্য কম ক্ষতিকর খাদ্যের প্রতি ভোক্তাদের চাহিদা বাড়ানো প্রয়োজন। এতে পরিবেশবান্ধব উৎপাদকরা উৎসাহিত হবেন এবং টেকসই উৎপাদনব্যবস্থা আরও বিস্তৃত হবে।

পণ্য উৎপাদনের কারণে বন উজাড় বন্ধে ইতোমধ্যে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৩০টিরও বেশি দেশ খাদ্যব্যবস্থার রূপান্তর নিয়ে জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে এসব অঙ্গীকার এখনো প্রয়োজনীয় নীতি, বাস্তবসম্মত প্রণোদনা ও কার্যকর উদ্যোগে পুরোপুরি রূপ নেয়নি। ফলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের গতি এখনো তৈরি হয়নি।

প্রকৃতি রক্ষায় অর্থের প্রবাহ বদলাতে হবে

প্রকৃতির ক্ষতি করে এমন কর্মকাণ্ডের পরিবর্তে পরিবেশ সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে অর্থায়ন বাড়ানো বৈশ্বিক অর্থব্যবস্থার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। এই পরিবর্তন আনতে হলে নিয়ন্ত্রণমূলক নীতির সংস্কার, ভর্তুকির পুনর্বিন্যাস এবং অর্থনৈতিক ঝুঁকি মূল্যায়নের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে হবে।

বিশেষ করে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে জলবায়ু ও প্রকৃতির ক্ষতিকে তাদের বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তের গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। প্রকৃতির ক্ষতি করে এমন কর্মকাণ্ডে বর্তমানে যে বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে, তার একটি অংশও যদি পরিবেশ পুনরুদ্ধারে স্থানান্তর করা যায়, তাহলে পুরো অর্থনৈতিক ব্যবস্থার হিসাব-নিকাশ বদলে যেতে পারে।

প্রকৃতি সংরক্ষণে অর্থায়ন বাড়ানো কেবল পরিবেশ রক্ষার উদ্যোগ নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানোরও উপায়। কারণ, প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের অবক্ষয় খাদ্য উৎপাদন, পানির প্রাপ্যতা, সরবরাহব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সরাসরি প্রভাবিত করে।

জীববৈচিত্র্যবিষয়ক কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজের (কপ১৭) সম্মেলন এবং জলবায়ুবিষয়ক কপ৩১ সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া সরকারগুলোর সামনে তাই গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ রয়েছে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তনের গতি বাড়ানো এবং সমাজ ও বৈশ্বিক অর্থনীতির সহনশীলতা জোরদার করা সম্ভব।

সংরক্ষণ উদ্যোগে সাফল্য দেখাচ্ছে আশার পথ

বিশ্বজুড়ে জীববৈচিত্র্য হ্রাসের উদ্বেগজনক চিত্রের মধ্যেও কিছু প্রজাতির ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প আশাবাদী হওয়ার কারণ জোগায়। পরিকল্পিত সংরক্ষণ কার্যক্রমের ফলে সবুজ সামুদ্রিক কচ্ছপ ও বাঘের সংখ্যা আবার বাড়ছে। সরকার, স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ এসব সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

প্রকৃতি রক্ষায় বৃহত্তর ব্যবস্থাগত পরিবর্তন আনতেও একই ধরনের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। সরকার, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং ব্যক্তিপর্যায়ের মানুষের অংশগ্রহণ ছাড়া এই পরিবর্তন সম্ভব নয়।

কোন পথে এগোতে হবে এবং কী কী বাধা অতিক্রম করতে হবে, সে সম্পর্কে আমাদের ধারণা রয়েছে। এখন প্রয়োজন এমন পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে ইতিবাচক পরিবর্তন ক্রমেই শক্তিশালী হবে এবং নিজস্ব গতিতে আরও বিস্তৃত হতে থাকবে।

প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল জীবনব্যবস্থাকে শক্তিশালী ও সহনশীল করতে হলে স্বল্পমেয়াদি মুনাফাকেন্দ্রিক, অপচয়ী ও সম্পদ নিঃশেষকারী অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এর পরিবর্তে এমন টেকসই ও পুনরুজ্জীবনমুখী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে প্রকৃতি, সমাজ ও অর্থনীতির কল্যাণ নিশ্চিত করবে।

লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে, সমাধানের পথও জানা আছে। এখন প্রয়োজন সেগুলো বাস্তবায়নে দৃঢ়তা ও সম্মিলিত উদ্যোগ। পথে বাধা ও ব্যর্থতা আসতে পারে, কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, প্রকৃতি ও জলবায়ুর পুনরুদ্ধার এখনো সম্ভব। যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া গেলে এই পরিবর্তন আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুত ঘটতে পারে।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies