Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
মতামত

সুদান নিয়ে ওয়াশিংটনের কূটনীতি এখন উল্টো ফল দিচ্ছে

সুদান নিয়ে ওয়াশিংটনের কূটনীতি এখন উল্টো ফল দিচ্ছে

ক্যামেরুন হাডসন ।। তিন বছরের বেশি সময় ধরে সুদানের ভয়াবহ যুদ্ধ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতা যেন বারবার ভুল পথে এগোচ্ছে। গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন এমন এক কূটনৈতিক অবস্থানে গিয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখান থেকে বের হওয়ার পথ তার নিজের জন্য যেমন কঠিন হয়ে পড়েছে, তেমনি সুদানের সেনাবাহিনীর জন্যও। এর ফলে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাও আরও দূরে সরে যেতে পারে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা যখন নিউইয়র্কে জড়ো হয়েছেন, তখন যুক্তরাষ্ট্র সুদানের সশস্ত্র বাহিনী (এসএএফ)-এর ওপর যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার জন্য জোরালো চাপ সৃষ্টি করে। ওয়াশিংটনের প্রস্তাব ছিল, কোনো শর্ত ছাড়াই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে, যুদ্ধ আপাতত থেমে যাবে এবং প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা নির্বিঘ্নে মানুষের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে।

অতীতে বিদ্রোহী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস বা আরএসএফ তাদের প্রধান আঞ্চলিক সমর্থকের কূটনৈতিক ও জনসংযোগ সহায়তায় এমন যেকোনো চুক্তিতে দ্রুত সম্মতি জানিয়েছে, যেখানে দেশের জাতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাদের সমমর্যাদার অবস্থান তৈরি হয়। কিন্তু বাস্তবে কোনো যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার সক্ষমতা বা সদিচ্ছা তাদের কতটা আছে, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে একাধিক হত্যাযজ্ঞের অভিযোগ থাকা এই বাহিনীর শান্তির প্রতিশ্রুতিকে অনেকেই সন্দেহের চোখে দেখেন। তবু মার্কিন কর্মকর্তারা কূটনৈতিক আলোচনায় বারবার আরএসএফকে তুলনামূলকভাবে ‘সহযোগিতাপ্রবণ পক্ষ’ হিসেবে উল্লেখ করছেন।

এই অবস্থায় চলতি বছরের শুরু থেকে ওয়াশিংটনের চাপ মূলত সুদানের সেনাবাহিনীকেই ঘিরে। যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা ছিল, পর্যাপ্ত চাপ প্রয়োগ করা গেলে সেনাবাহিনী দুর্বল হয়ে পড়বে এবং আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে থাকা লাখ লাখ বেসামরিক মানুষকে মুক্ত করার সামরিক প্রচেষ্টা থেকে তারা সরে আসবে।

কিন্তু সুদানের অভিজ্ঞতা বলছে, এ ধরনের হিসাব কতটা ঝুঁকিপূর্ণ। গত দুই দশকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও সুদানের রাষ্ট্রীয় কাঠামো দীর্ঘ সময় টিকে থেকেছে। ফলে দেশটির ওপর চাপ প্রয়োগের কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে নিষেধাজ্ঞাকে ব্যবহার করলে তা দ্রুত ফল দেবে, এমন ধারণার যথেষ্ট ভিত্তি নেই।

তারপরও জুনে সুদানের সেনাবাহিনীর অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত নেটওয়ার্কের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। জুলাইয়ে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগে আরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়, যদিও মাঠপর্যায়ে এসব অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ যথাযথভাবে তদন্তের কোনো বিশ্বাসযোগ্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

এরপর আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে পুরো সুদানের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের নতুন উদ্যোগ নেয়। এর আগে ২০০০-এর দশকের শুরুতে দারফুরে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের প্রেক্ষাপটে যে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল, নতুন প্রস্তাবটি তার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আরএসএফ ও তাদের আঞ্চলিক সহযোগীদের বিরুদ্ধে সেই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগও রয়েছে।

ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপকে অনেকেই ভারসাম্যহীন উদ্যোগ হিসেবে দেখেছেন। বিশেষ করে এমন সময়ে, যখন সুদানের সেনাবাহিনী সাম্প্রতিক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সাফল্যের মাধ্যমে যুদ্ধের গতিপথে কিছুটা পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে। তাদের সরবরাহব্যবস্থা দুর্বল করাই যেন মার্কিন উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কিন্তু জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাবটি পাস করার মতো প্রয়োজনীয় সমর্থন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নেই। রাশিয়ার সম্ভাব্য ভেটোর আশঙ্কাও রয়েছে। ফলে ওয়াশিংটন শেষ পর্যন্ত বর্তমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ এক মাস বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছে, এই আশায় যে অতিরিক্ত এক মাসের কূটনৈতিক তৎপরতায় আরও কিছু দেশকে পাশে পাওয়া যাবে। বাস্তবে সেই কৌশল কতটা সফল হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।

এরপর গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন আরও এক ধাপ এগিয়ে যায়। সুদানের সেনাপ্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেওয়াকে মার্কিন প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষরের সঙ্গে শর্তযুক্ত করা হয়।

কূটনীতিতে এ ধরনের চাপ প্রয়োগ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এই ঘটনায় বরং মনে হয়েছে, সুদানের সেনাবাহিনীকে চাপে ফেলে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করানোর চেয়ে চুক্তি করাতে না পারার হতাশা ও বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকেই ওয়াশিংটন এমন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

গত বছরের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়। কিন্তু এরপরও দুই পক্ষের কেউই তা স্বাক্ষর করতে রাজি হয়নি। কারণ যুদ্ধরত পক্ষগুলো অস্ত্র নামানোর আগে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিশ্চিত হতে চায়। তাদের আশঙ্কা, এমন একটি যুদ্ধবিরতি যদি প্রতিপক্ষকে পুনর্গঠন ও পুনরায় অস্ত্র সংগ্রহের সুযোগ দেয়, তাহলে তা শেষ পর্যন্ত তাদের নিজেদের জন্য বিপদ ডেকে আনবে।

শুধু দুই পক্ষকে অস্ত্রবিরতিতে রাজি করিয়ে যদি তাদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত অবস্থান নিয়ে কোনো সমাধান না দেওয়া হয়, তাহলে সেই যুদ্ধবিরতি বরং সুদানের বর্তমান বিভক্তিকে স্থায়ী করে দিতে পারে।

এমন পরিস্থিতি আরএসএফের জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি সুবিধাজনক হতে পারে। কারণ তারা দেশের বড় একটি অংশে নিজেদের নিয়ন্ত্রণকে স্থায়ী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আগ্রহী। অন্যদিকে সুদানের সেনাবাহিনী দাবি করে আসছে, তারা দেশকে আবারও একক রাষ্ট্রীয় কাঠামোর অধীনে ফিরিয়ে আনার জন্য লড়াই করছে।

ওয়াশিংটনে বারবার যে ধারণাটি তুলে ধরা হচ্ছে, তা হলো দুই পক্ষই মনে করছে তারা সামরিকভাবে পুরোপুরি বিজয়ী হতে পারবে, তাই যুদ্ধ থামছে না। কিন্তু বাস্তবতা সম্ভবত আরও জটিল। দুই পক্ষই মনে করছে, নিজেদের অস্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে তাদের জয়ী হতেই হবে। এই অস্তিত্বের প্রশ্নই যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করছে।

জাতিসংঘের ব্যস্ত কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর একটি বিবৃতি দেয়। সেখানে বলা হয়, সুদানের সশস্ত্র বাহিনী কিংবা র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস, কোনো পক্ষই সুদানের বৈধ ও সাংবিধানিক সরকারকে প্রতিনিধিত্ব করে না। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, উভয় পক্ষই অস্ত্রের শক্তির ওপর নির্ভর করে ক্ষমতা ধরে রেখেছে এবং দুই পক্ষের নেতাদের কর্মকাণ্ডই তাদের ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনার জন্য অযোগ্য করে তুলেছে।

দীর্ঘমেয়াদে এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে। কিন্তু স্বল্পমেয়াদে যুদ্ধরত কোনো পক্ষকে অস্ত্র নামাতে রাজি করানোর জন্য এমন বক্তব্য কতটা কার্যকর, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

বরং মনে হয়েছে, আল-বুরহানকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্তকে পরে ব্যাখ্যা ও যৌক্তিকতা দেওয়ার প্রয়োজন থেকেই এই অবস্থান সামনে আনা হয়েছে।

আল-বুরহানের নিউইয়র্ক সফর ঠেকানোর সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক রীতিনীতির সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেই প্রশ্নও উঠেছে। একই সঙ্গে নীতিগত সামঞ্জস্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের সামরিক সরকারগুলোর প্রতিনিধিরা যেমন নিউইয়র্কে যাওয়ার ভিসা পেয়েছেন, তেমনি ইরানের প্রতিনিধিদলও জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

ফলে ওয়াশিংটনের পদক্ষেপকে শুধু যুদ্ধবিরতি আদায়ের চাপ হিসেবে দেখার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ছে। এর সঙ্গে সুদানে আরও বড় কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটানোর লক্ষ্য যুক্ত হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে।

চলতি বছরে সুদানের সেনাবাহিনীকে শাস্তি দেওয়া, আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করা এবং তাদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার যে ধারাবাহিক পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র নিয়েছে, তার সঙ্গে সর্বশেষ সিদ্ধান্তকে মিলিয়ে দেখলে এই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়।

কিন্তু কূটনীতিতে কৌশল যদি দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক লক্ষ্য ও বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তাহলে সমাধানের বদলে সংকট আরও জটিল হতে পারে। ইতোমধ্যে ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপ তাকে পশ্চিমা, আরব ও আফ্রিকান দেশগুলোর বৃহত্তর জোটের মধ্যেও কিছুটা বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। এসব দেশ শুধু দ্রুত যুদ্ধবিরতি নয়, বরং সুদানের জন্য একটি দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান এবং দেশটির স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পথ খুঁজছে।

বিভিন্ন দেশ ইতোমধ্যে ব্যক্তিগতভাবে হতাশা প্রকাশ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। আল-বুরহানকে জাতিসংঘে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া শুধু তার অবস্থান শোনার বিষয় ছিল না; বরং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের কাছ থেকে একযোগে শান্তির আহ্বান শোনার সুযোগও তৈরি হতে পারত।

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়াগুলোর একটি এসেছে সৌদি আরবের কাছ থেকে। দেশটি জানিয়েছে, সুদান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘কোয়াড’ উদ্যোগে তাদের ভবিষ্যৎ অংশগ্রহণের বিষয়টি তারা পুনর্বিবেচনা করবে।

সুদানে শান্তি প্রতিষ্ঠার উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে গত গ্রীষ্মে উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির নজির খুব বেশি নেই। বরং অতীতের মার্কিন শান্তি উদ্যোগগুলোর মতো একই ভুলের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে বলে সমালোচনা রয়েছে। সেই ভুল হলো, কেবল কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করেই যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তবতা বদলে ফেলা যাবে এবং এর মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে—এমন ধারণা।

গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন সেই কৌশলকে আরও কঠোর পর্যায়ে নিয়ে গেছে। কিন্তু সুদানের সেনাবাহিনীকে বিচ্ছিন্ন করার যে চাপ তৈরি করা হয়েছিল, তার কিছুটা প্রতিক্রিয়া এখন যুক্তরাষ্ট্রের দিকেই ফিরে আসছে।

এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আবারও যুদ্ধরত পক্ষগুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়া প্রয়োজন হয়ে উঠেছে। এতে ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক অবস্থান পুনরুদ্ধারের সুযোগ তৈরি হতে পারে এবং সুদানের শান্তি প্রতিষ্ঠায় যে বৃহত্তর জোট কাজ করছে, সেটিও ধরে রাখা সম্ভব হতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সুদানে মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং যুদ্ধের অবসানের পথ তৈরি করতে এখন শুধু চাপ নয়, প্রয়োজন কার্যকর কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা।- আল জাজিরা থেকে বাংলায় রুপান্তরিত

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies