Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
দেওয়ানগঞ্জ

শরতের শুভ্রতায় মোহময় টিনের চর

শরতের শুভ্রতায় মোহময় টিনের চর

এহসানুল মাহবুব ।।

শরতের নীল আকাশ। তুলোর মতো সাদা মেঘের ভেলা। তার নিচে যমুনার তীরজুড়ে দিগন্তবিস্তৃত সাদা কাশফুল। বাতাসের দোলায় কাশফুলগুলো যেন মেলে ধরেছে শুভ্র ডানা। নদীর বুকে ছুটে চলছে নৌকা। সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপরূপ সাজে সেজেছে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার টিনের চর।

বিস্তীর্ণ চরজুড়ে ফুটে থাকা কাশফুলের সৌন্দর্য দেখতে সকাল থেকেই এখানে ভিড় করছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা। কেউ আসছেন নৌকায়, কেউবা পায়ে হেঁটে। পরিবার-পরিজন কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে যমুনার তীর ও চরাঞ্চলে ছুটে আসছেন তারা।

নদীর তীরজুড়ে মাইলের পর মাইল সাদা কাশফুলের সমারোহ। দূর থেকে তাকালে মনে হয়, বিশাল চরটি যেন সাদা চাদরে মোড়ানো। কাশবনের ভেতর দিয়ে হেঁটে বেড়ানো, ছবি তোলা কিংবা নদীর পাড়ে বসে নির্মল বাতাস উপভোগ—নিজেদের মতো করে সময় কাটাচ্ছেন দর্শনার্থীরা।

কাশফুলের শুভ্রতার সঙ্গে নীল আকাশ আর যমুনার জলরাশির মেলবন্ধন তৈরি করেছে ভিন্ন এক আবহ। প্রকৃতির এই সৌন্দর্য মুঠোফোনের ক্যামেরায় ধরে রাখতে ব্যস্ত দর্শনার্থীরা। কেউ একা, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে, আবার কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ছবি তুলছেন কাশবনের মাঝে।

এক দর্শনার্থী বলেন, ‘কাশফুলের জায়গাটা খুব সুন্দর। নদীর পাড়ে এসে প্রকৃতির এমন পরিবেশ খুব ভালো লাগছে।’

শুধু কয়েক ঘণ্টার জন্য ঘুরতে আসছেন এমন নয়, কেউ কেউ আবার তাবু টানিয়ে দিন কাটাচ্ছেন টিনের চরেই। নদীর বাতাস, কাশফুলের দোলা আর প্রিয়জনদের সঙ্গে আড্ডায় কেটে যাচ্ছে সময়।

বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে আসা আরেক দর্শনার্থী বলেন, ‘বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসেছি। জায়গাটা অনেক সুন্দর। সারাদিন এখানে থাকব, বেশ ভালো লাগছে।’

শরতের এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে দর্শনার্থীদের আনাগোনা বাড়লেও এর সঙ্গে বাড়ছে পরিবেশ রক্ষার দায়িত্বও। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দর্শনার্থীরা কাশফুল নষ্ট করবেন না এবং যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলবেন না। প্রকৃতির স্বাভাবিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন রাখলে টিনের চর হয়ে উঠতে পারে আরও আকর্ষণীয় একটি প্রাকৃতিক ভ্রমণস্থল।

যমুনার পাড়জুড়ে সাদা কাশফুল, মাথার ওপর নীল আকাশ আর নদীর বুকে ছুটে চলা নৌকা—সব মিলিয়ে শরতের টিনের চর যেন হয়ে উঠেছে কাশফুলের স্বর্গরাজ্য। প্রকৃতির এই শুভ্র সৌন্দর্যই এখন দূর-দূরান্তের মানুষকে টেনে আনছে যমুনার এই চরে।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies