Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
আন্তর্জাতিক

পারমাণবিক পরীক্ষায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে ভূমিকম্পের পুরোনো ফাটল

পারমাণবিক পরীক্ষায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে ভূমিকম্পের পুরোনো ফাটল

Oplus_131072


আন্তর্জাতিক ডেস্ক
উত্তর কোরিয়ার পুংগেরি পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রে ২০১৭ সালের পর ভূমিকম্পের সংখ্যা ও তীব্রতা বেড়েছে। বিজ্ঞানীদের নতুন এক গবেষণায় ধারণা করা হয়েছে, দেশটির পারমাণবিক পরীক্ষার কারণে ওই এলাকার পুরোনো ভূমিকম্পপ্রবণ ফল্ট বা ভূত্বকের ফাটলগুলো পুনরায় সক্রিয় হয়ে থাকতে পারে।
উত্তর কোরিয়া ২০০৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত পুংগেরি এলাকায় ছয়টি ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়। এর মধ্যে ২০১৭ সালের ষষ্ঠ পরীক্ষাটি ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী। বিজ্ঞানীদের হিসাবে, বিস্ফোরণটির শক্তি ছিল প্রায় ১৬০ কিলোটন। এর পরপরই ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প হয় এবং একটি ভূগর্ভস্থ টানেল ধসে পড়ার কথা জানা যায়।
দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের বিজ্ঞানীরা ২০০৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ভূকম্পন-তথ্য বিশ্লেষণ করে মাউন্ট মানতাপের আশপাশে ১ হাজার ৩৯৯টি ভূমিকম্প শনাক্ত করেছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, ২০১৭ সালের বিস্ফোরণের পর ভূমিকম্পের কার্যকলাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় এবং পরবর্তী কয়েক বছরেও তা অব্যাহত থাকে।
গবেষকদের মতে, এসব ভূমিকম্পের বেশির ভাগের মাত্রা ২ থেকে ৩-এর মধ্যে। বিস্ফোরণের ফলে ভূগর্ভে নতুন ফাটল তৈরি হয়ে সেখানে পানি প্রবেশ করলে চাপ বাড়তে পারে। এতে আগে থেকে থাকা ফল্টগুলো সরে গিয়ে ভূমিকম্প সৃষ্টি হতে পারে। তবে ভূগর্ভস্থ পানির এই ভূমিকা এখনো সরাসরি প্রমাণিত হয়নি।
গবেষকরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক পরীক্ষার কারণে ভূমিকম্পের কার্যকলাপ বাড়লে ভবিষ্যতে পরীক্ষাকেন্দ্র পর্যবেক্ষণ আরও জটিল হতে পারে। কারণ বিস্ফোরণজনিত ভূকম্পন ও স্বাভাবিক ভূমিকম্পের মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
তবে ২০১৭ সালের পর উত্তর কোরিয়া পুংগেরিতে আর কোনো পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছে—এমন প্রমাণ গবেষকদের হাতে নেই। গবেষকরা সরাসরি পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেননি এবং উত্তর কোরিয়ার নিজস্ব ভূকম্পন-তথ্যও তাঁদের কাছে নেই।
সূত্র: সিএনএন

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies