Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
আন্তর্জাতিক

হামলা হলে সীমাহীন পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের, যুদ্ধ ঠেকাতে তৎপর মধ্যস্থতাকারীরা

হামলা হলে সীমাহীন পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের, যুদ্ধ ঠেকাতে তৎপর মধ্যস্থতাকারীরা

যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল নতুন করে হামলা চালালে কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা মেনে নয়, বরং সর্বাত্মকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও প্রতিরোধ সক্ষমতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার ইরানের রাজধানী তেহরানে দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন কাতারের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকেরা। শনিবারও এ বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকার কথা রয়েছে। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যেই এই মধ্যস্থতা চলছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় শনিবার এক বিবৃতিতে জানায়, মোজতবা খামেনি সামরিক বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত নির্দেশনা দিয়েছেন। দেশ আক্রান্ত হলে যেন তাৎক্ষণিক ও কার্যকর জবাব দেওয়া যায়, সে জন্য সর্বোচ্চ প্রতিরোধ সক্ষমতা গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে পাল্টা জবাবের ক্ষেত্রে কোনো ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা না রাখার কথাও বলেছেন।

গত মার্চে বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেন মোজতবা খামেনি। তবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি বা তাঁর বক্তব্যও শোনা যায়নি।

এদিকে, কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের উদ্দেশে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে। চিঠিটি ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী মহসেন রেজাইয়ের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠির বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কিছু শর্ত দিয়েছেন ভ্যান্স। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের মাধ্যমে পারমাণবিক কর্মসূচি পর্যবেক্ষণের সুযোগ এবং দেশটির উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের বিষয় রয়েছে। তবে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানো হবে না বলে আগেই জানিয়েছে তেহরান।

যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ইরানের শর্ত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরুর নির্দেশ দেওয়ার খবর নাকচ করেছেন। তবে ভ্যান্সের পাঠানো চিঠির বিষয়ে বিস্তারিত না জানিয়ে তিনি দাবি করেছেন, ইরানে চিকিৎসাসামগ্রী প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করাই ছিল এর উদ্দেশ্য।

ইরানের গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে চলমান আলোচনায় তেহরানের প্রস্তাব এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, কয়েক দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিনিময়ে গত জুনের সমঝোতা স্মারকে ফিরে যেতে হবে।

তবে এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ তুলে নিতে হবে, তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞায় ছাড় দিতে হবে এবং লেবাননসহ আঞ্চলিক সংঘাতগুলোতে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে হবে। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে এখনো ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে।

ইরানের স্থানীয় গণমাধ্যম চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরান এর কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে কি না, তা জানায়নি।

এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রঘনিষ্ঠ সংবাদপত্র জমহুরি-ই ইসলামি শনিবার এক সম্পাদকীয়তে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা কম হলেও আগামী কয়েক দিনের আলোচনা ও বৈঠকে ইতিবাচক সাড়া দেওয়া জরুরি। আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে পত্রিকাটি।

সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, ‘যুদ্ধকেই ইরানের অনিবার্য পরিণতি হিসেবে মেনে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া যাবে না।’

হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা অব্যাহত

এদিকে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বিভিন্ন জাহাজে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে প্রণালিতে সম্ভাব্য নৌমাইন থাকার বিষয়ে সতর্ক করেছে তারা। অন্যদিকে, উপসাগরীয় আরব দেশগুলো থেকে তেল পরিবহনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা ও দিকনির্দেশনা দিচ্ছে।

শনিবার বিকেলে ইরানের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে কেশম দ্বীপের কাছে মার্কিন ড্রোনের হামলায় দুটি মাছ ধরার নৌকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কয়েকজন জেলে আহত হয়েছেন।

এর আগে শুক্রবার রাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দাবি করে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে অনুমোদনহীন পথে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় নৌমাইনের বিস্ফোরণে অন্তত ছয়টি তেলবাহী জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব জাহাজের মধ্যে ২০ লাখ ব্যারেল তেল ধারণক্ষমতার একটি বিশাল তেলবাহী জাহাজও রয়েছে। এ ঘটনায় আগুনে আক্রান্ত একটি জাহাজের কাছাকাছি অবস্থান করা ছোট নৌকা থেকে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজও প্রকাশ করেছে তারা।

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউকেএমটিও শুক্রবার এক নতুন ধরনের হামলার তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটির বিবৃতি অনুযায়ী, আগের দিন ওমানের খাসাব উপকূলের উত্তর-পূর্বে একটি তেলবাহী জাহাজের কাছে ছোট একটি নৌকা আসে। সেখান থেকে জাহাজটির পানির ওপরের অংশে দুটি বিস্ফোরক যন্ত্র লাগানো হয়। বিস্ফোরণে জাহাজের ইঞ্জিনকক্ষে আগুন ধরে যায় এবং কিছু সময়ের জন্য সেটি অচল হয়ে পড়ে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ১৫৫টি জাহাজ প্রবেশ করেছে এবং ১২২টি জাহাজ বের হয়েছে। যুদ্ধের আগের সময়ের তুলনায় এই নৌ চলাচল ৭০ শতাংশ কম।

শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপার জানান, তিনি হরমুজ প্রণালির ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় পণ্যবাহী জাহাজ, অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনকারী বেশ কয়েকটি জাহাজ দেখেছেন। এসব জাহাজকে মার্কিন বিমান ও সামুদ্রিক ড্রোন নিরাপত্তা দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কুপারের দাবি, কয়েক দশক ধরে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজকে হয়রানি, হুমকি ও জব্দ করে আসা ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কোনো উপস্থিতি তিনি সেখানে দেখতে পাননি। তাঁর ভাষায়, ইরানের নৌবাহিনী এখন কার্যত সমুদ্রের তলদেশে।

যুদ্ধের পরিধি বাড়ানোর হুঁশিয়ারি তেহরানের

দীর্ঘ আট মাসের সংঘাতের পর ইরানের নেতাদের বক্তব্যে কঠোর অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। শনিবার সর্বোচ্চ নেতার সামরিক নির্দেশনার পর ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন করে হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যদি আবারও হুমকি এবং ইসরায়েলের প্ররোচনায় মধ্যপ্রাচ্যে দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নেন, তাহলে যুদ্ধের আগুন আরও বিস্তৃত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় মিত্রদেরও সমালোচনা করেছেন ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি অভিযান এবং এর আগের বছরের ১২ দিনের যুদ্ধে ইউরোপের কয়েকটি দেশ সমর্থন জানিয়েছিল।

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস সম্প্রতি বলেছেন, গত আট মাসের যুদ্ধে ইউরোপের ব্যয় ১০০ বিলিয়ন ইউরোর বেশি হয়েছে। এর জবাবে ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান রেজাই ইউরোপের বর্তমান উদ্বেগকে কটাক্ষ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছেন, যুদ্ধাপরাধে সমর্থন দেওয়ার সময় ইউরোপ কি ভেবেছিল, এর পরিণতি তাদেরও ভোগ করতে হবে না? যুদ্ধ ও সন্ত্রাসের মূল্য দিতে হয়, এবার সেই মূল্য দেওয়ার পালা তাদের।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও মের্ৎসের আগের একটি বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে সমালোচনা করেছেন। গত বছরের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইউরোপের হয়ে কঠিন কাজটি করছে বলে মের্ৎস মন্তব্য করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আরাগচি বলেন, ১০০ বিলিয়ন ইউরোর ক্ষতি ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর আঘাতের তুলনায় কিছুই নয়। যারা ইরানের জনগণের ক্ষতি করার সাহস দেখাবে, তাদের আরও বড় মূল্য দিতে হবে। তাঁর ভাষায়, পুরোনো সব সীমারেখা এখন অতীত।

নতুন সামরিক অভিযান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেও উদ্বেগ

ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর সম্ভাবনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের শুরুতে তিনি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে যুদ্ধ শুরু হলে স্বল্পমেয়াদি কিন্তু ব্যাপক বিধ্বংসী মার্কিন সামরিক অভিযানের সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এ ধরনের পরিকল্পনাকে ‘উন্মাদনাপূর্ণ’ আখ্যা দিয়ে মারফি বলেন, এতে সংঘাত আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে এবং আইনের শাসনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নিউক্লিয়ার থ্রেট ইনিশিয়েটিভের পারমাণবিক উপাদান নিরাপত্তা কর্মসূচির উপপ্রধান এরিক ব্রুয়ারও সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

তাঁর মতে, ইরানের অবকাঠামোয় ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়ে কী অর্জন করা সম্ভব, তা স্পষ্ট নয়। আগের হামলার পরও ইরান পুনর্গঠনের দিকে মনোযোগ দিয়েছে বলে সম্প্রতি অভিযোগ করেছিলেন ট্রাম্প।

ব্রুয়ার বলেন, ইরানের অবশিষ্ট পারমাণবিক স্থাপনাগুলো, বিশেষ করে পিকঅ্যাক্স ও ইসফাহানের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গগুলো সামরিক হামলায় ধ্বংস করা সম্ভব নয়। দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচিও বর্তমানে অনেকটাই স্থবির। জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে নিতে ইরানকে বাধ্য করা যাবে, এমন সম্ভাবনা কম।

তিনি আরও সতর্ক করেন, আক্রান্ত হলে ইরান পুরো অঞ্চলে পাল্টা হামলা চালাবে। এতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য যুদ্ধ আরও ব্যয়বহুল ও দীর্ঘস্থায়ী হয়ে উঠতে পারে। তাঁর মতে, সম্ভাব্য এই সামরিক অভিযানের ঝুঁকি এর সম্ভাব্য লাভের চেয়ে অনেক বেশি।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies