Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
মতামত

সুদীর্ঘ এক খরার শেষে…

সুদীর্ঘ এক খরার শেষে…

ঈসা (আ.)-এর পর কেটে গেছে প্রায় ছয়শ বছর।

প্রায় ছয়শ বছরের দীর্ঘ বিরতি, দীর্ঘ প্রতীক্ষা।

পৃথিবী তখন ক্লান্ত।

মানুষের হৃদয়ে জমেছে অন্ধকার, চোখে জমেছে অহংকার, আর আত্মা হারিয়েছে তার পথ।

অন্ধকার আরও ঘন হয়েছে।

তখন…

আল্লাহ তাঁকে পাঠালেন।

যেন অনন্ত এক খরার শেষে আকাশ ভেঙে নেমে এলো বৃষ্টি।

যেন চৈত্রের দাবদাহে হঠাৎ দক্ষিণের জানালা খুলে গেল, আর ঘরে ঢুকে পড়ল এক মুঠো শীতল বাতাস।

যেন অন্ধকারে পথ হারানো শ্রান্ত মানুষদের সামনে কেউ একটি প্রদীপ জ্বেলে দিল, তৃষ্ণার্ত হৃদয়ে তুলে দিল সুধার পেয়ালা, আর দেখিয়ে দিল পথের দিকনির্দেশ।

তিনি এলেন।

বনেদি প্রাসাদে নয়, কোনো রাজসিংহাসনে নয়।

মরুর বুকে।

একটি সাধারণ ঘরে, মায়ের কোলে, এক অনাথ শিশুরূপে।

তিনি এলেন বলে

মানুষের সংজ্ঞাটাই যেন বদলে গেল,

মানুষের মর্যাদা ফিরে এলো সকল বৈষম্যের দেয়াল ফেলে।

ন্যায় ও ন্যায্যতার বাণী দাঁড়িয়ে গেল, সকল জুলুমের বিরুদ্ধে।

নারী ফিরে পেল সম্মান ও মর্যাদা।

এতিম পেল আশ্রয়।

দুর্বল পেল অধিকার।

মানুষ শিখল, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পরিচয় তার বংশ নয়, সম্পদ নয়, ক্ষমতা নয়, বরং সে আল্লাহর বান্দা।

তিনি এলেন হৃদয়ের সাহারায় বৃষ্টি হয়ে।

যে হৃদয় প্রতিশোধে পাথর হয়ে গিয়েছিল, তিনি সেখানে ক্ষমার দরজা খুলে দিয়েছেন।

যে চোখ শুধু দুনিয়ার চাকচিক্য দেখত, তিনি সেই চোখকে আখিরাতের দিকে তাকাতে শিখিয়েছেন।

তিনি এসেছিলেন, মানুষের জন্য।

অত্যাচারীর জন্যও হেদায়েতের আশা তিনি ছেড়ে দেননি।

তাঁকে পাথর ছুড়ে রক্তাক্ত করা হলো।

তিনি অভিশাপ দেননি।

তিনি প্রতিশোধ চাননি।

বরং তাঁর হৃদয় থেকে বেরিয়ে এসেছিল তাদের জন্যও কল্যাণের আকাঙ্ক্ষা।

তিনি যেন, আরবের উত্তপ্ত বালুর ওপর দিয়ে তিনি বিশ্বমানবতার জন্য এক দীর্ঘ ছায়া হয়ে হেঁটে গেলেন।

তাঁর পদচিহ্ন ধরে একটি সভ্যতা বদলে গেল।

সেই আলোর ধারা শত শত বছর ধরে সভ্যতার অলিগলি পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ল পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে।

শতাব্দীর পর শতাব্দী পেরিয়ে গেছে।

কিন্তু সেই আলো আজও এসে পড়ে মানুষের হৃদয়ে। এ আলো যেমন অন্ধকারের মধ্যে আলোবর্তিকা, তেমনি পথহীনতার মধ্যে পথ।

আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম ওয়া বারিক ‘আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদ, ওয়া ‘আলা আালি সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদ।

হে আল্লাহ, আমাদের নেতা মুহাম্মদ ﷺ-এর ওপর রহমত, শান্তি ও বরকত বর্ষণ করুন এবং তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপরও।

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies