স্টাফ রিপোর্টার:
জামালপুরের মেলান্দহে বিএনপি নেতা সুজনের স্ত্রী সুমি আক্তারকে (২৭) নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে এমদাদুল হক অরচন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সুমি আক্তার ও এমদাদুল হক অরচনের বিরুদ্ধে মেলান্দহ থানায় মামলা করেছেন সুজন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, সুমি ও অরচন সম্পর্কে মামা-ভাগ্নি।
গ্রেপ্তার এমদাদুল হক অরচন মেলান্দহ উপজেলার শাহজাদপুর এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি ঝাউগড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজনের স্ত্রীর কথিত মামা বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর মেলান্দহ পৌরসভার কামদেববাড়ি এলাকার শাহিন মন্ডলের মেয়ে সুমি আক্তারের সঙ্গে শরিয়ত মোতাবেক বিয়ে হয় সুজনের। বিয়ের সময় সুমিকে বিভিন্ন স্বর্ণালংকার উপহার দেওয়া হয়, যার আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
সুজনের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই এমদাদুল হক অরচন তাঁর স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে ফুসলিয়ে আসছিলেন। গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যায় সুজন বাড়িতে না থাকার সুযোগে অরচন সুমিকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সঙ্গে করে নিয়ে যান। এ সময় সুমি স্বর্ণালংকারও নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন সুজন।
পরে বিভিন্ন মাধ্যমে স্ত্রীকে খোঁজাখুঁজি করেন সুজন। একপর্যায়ে জানতে পারেন, সুমি এমদাদুল হক অরচনের সঙ্গে চলে গেছেন। এরপর পুলিশের সহায়তা চাইলে জামালপুর শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে অরচনকে আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুমি আক্তারকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সুজনের করা মামলায় এমদাদুল হক অরচন ও সুমি আক্তারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মেলান্দহে বিএনপি নেতার স্ত্রীর সঙ্গে কথিত মামার পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
React:




