Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
মেলান্দহ

অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান, মেলান্দহে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ফিক্সড চিমনি

অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান, মেলান্দহে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ফিক্সড চিমনি

জামালপুরের মেলান্দহে অবৈধভাবে পরিচালিত শেখ ব্রিকসের ফিক্সড চিমনি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর।

বুধবার ( ১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পৌরসভার ফুলছেন্না এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে ইটভাটাটির নিষিদ্ধ চিমনি উচ্ছেদ করা হয়। তবে অভিযানের সময় ভাটার কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এবং মালিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় কোনো জরিমানা করা হয়নি।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মো. ইমন হোসেনের নেতৃত্বে অভিযানে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এ কে এম ছামিউল আলম কুরসি উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে মেলান্দহ থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রচলিত ইটভাটা ও পরিবেশ-সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী শেখ ব্রিকসটি বৈধ অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছিল। এ ধরনের ইটভাটায় ফিক্সড চিমনি ব্যবহারও আইনবহির্ভূত। অভিযানকালে ভাটাটির কার্যক্রম বন্ধ পাওয়া যায়।

সেখানে ভাটার মালিক বা কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। ফলে ভাটার বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করা হয়নি।

পরে আইন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইটভাটাটির ফিক্সড চিমনি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এ বিষয়ে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এ কে এম ছামিউল আলম কুরসি বলেন, ‘ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ অবৈধ ইটভাটা। এখানে ফিক্সড চিমনি ছিল, যা ২০১০ সাল থেকেই নিষিদ্ধ।

সারাদেশে ফিক্সড চিমনি ও ড্রাম চিমনি উচ্ছেদের যে মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তার অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং আইনবহির্ভূত ইটভাটার বিরুদ্ধে প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies