Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
আন্তর্জাতিক

রাশিয়ার পুরোনো পারমাণবিক স্থাপনা, বন্ধ ও অপসারণের খরচ দেবে কে?

রাশিয়ার পুরোনো পারমাণবিক স্থাপনা, বন্ধ ও অপসারণের খরচ দেবে কে?

আরশাক মাকিচিয়ান ।। রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তি নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা হলে সাধারণত দেশটির পরমাণু অস্ত্র ও যুদ্ধের হুমকিই সামনে আসে। কিন্তু রাশিয়ার ভেতরে থাকা পারমাণবিক ঝুঁকি নিয়ে তুলনামূলকভাবে কম আলোচনা হয়। বিশেষ করে দেশটির বহু পুরোনো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। এসব কেন্দ্রের কয়েকটির রিঅ্যাক্টরের বয়স ইতোমধ্যে ৫০ বছর ছাড়িয়েছে।

অন্যদিকে রাশিয়া তুরস্ক থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে। জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে পারমাণবিক শক্তিকে ‘টেকসই’ জ্বালানি হিসেবে তুলে ধরছে দেশটি। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠকে চলমান ও সম্ভাব্য পারমাণবিক প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করছেন। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন অনেকটাই আড়ালে থেকে যাচ্ছে, এসব পারমাণবিক স্থাপনার কর্মক্ষমতার মেয়াদ শেষ হলে সেগুলোর কী হবে?

সোভিয়েত আমলে পুরো সোভিয়েত ইউনিয়নজুড়ে বহু পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছিল। এর একটি ছিল লিথুয়ানিয়ার ইগনালিনা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার শর্ত হিসেবে লিথুয়ানিয়াকে সোভিয়েত আমলে নির্মিত কেন্দ্রটির দুটি রিঅ্যাক্টর বন্ধ করতে হয়। প্রথমটি বন্ধ হয় ২০০৪ সালে, দ্বিতীয়টি ২০০৯ সালে।

কেন্দ্রটি পুরোপুরি বন্ধ করে অপসারণের কাজ অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদি হয়ে উঠেছে। ২০২০ সাল নাগাদ এ কাজের সম্ভাব্য ব্যয় দাঁড়ায় ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ইউরো। অথচ তখন পর্যন্ত নির্ধারিত কাজের মাত্র ৪৯ শতাংশ শেষ হয়েছিল। শুরুতে ২০৩৮ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার পরিকল্পনা থাকলেও এখন তা ২০৪৯ সাল পর্যন্ত গড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।

রাশিয়ার ক্ষেত্রেও একই প্রশ্ন ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। দেশটির পারমাণবিক বিদ্যুৎ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান রোসএনারগোঅ্যাটম ৩৫টি রিঅ্যাক্টর বন্ধ ও অপসারণের পরিকল্পনা করেছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী, এ কাজের জন্য প্রায় ২১ বিলিয়ন ইউরো প্রয়োজন হবে। বিপরীতে অর্থের ঘাটতি রয়েছে প্রায় ১৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ইউরো।

এটি অবশ্য রোসএনারগোঅ্যাটমের নিজস্ব হিসাব। বাস্তবে পারমাণবিক স্থাপনা বন্ধ ও অপসারণের ব্যয় প্রাথমিক অনুমানের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ার নজির রয়েছে। জার্মানির লুবমিনে সাবেক একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অপসারণের ব্যয় শুরুতে ১ বিলিয়ন ইউরো ধরা হয়েছিল। পরে সেই হিসাব বেড়ে প্রায় ১০ বিলিয়ন ইউরো হয়েছে।

রাশিয়া আপাতত এই ব্যয়বহুল প্রক্রিয়ার সবচেয়ে কঠিন ধাপগুলো পিছিয়ে দেওয়ার পথেই হাঁটছে। কোনো রিঅ্যাক্টর বন্ধ হওয়ার পর দ্রুত তা পুরোপুরি ভেঙে ফেলার বদলে অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি ‘নিরাপদ সংরক্ষণে’ রাখা হচ্ছে। এতে বর্তমান সময়ের আর্থিক ও কারিগরি দায় অনেকটাই ভবিষ্যতের ওপর ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।

কিন্তু কোনো স্থাপনা ভেঙে না ফেলে রেখে দেওয়া সমস্যার সমাধান নয়। এতে শুধু ব্যয়বহুল কাজটি পিছিয়ে যায়। বিশেষ করে যখন ইতোমধ্যেই অর্থের বড় ঘাটতি রয়েছে, তখন দীর্ঘদিন এভাবে ফেলে রাখা ভবিষ্যতে আর্থিক, কারিগরি ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে।

পরিবেশবাদী সংগঠন বেলোনা ফাউন্ডেশন রোসাটমের নিজস্ব পূর্বাভাসের ভিত্তিতে জানিয়েছে, ২০৩৭ সালের দিকে রোসাটমের পারমাণবিক স্থাপনা অপসারণ ও পরিবেশ পুনরুদ্ধারের দায় প্রতিষ্ঠানটির নিট মুনাফার চেয়েও বেশি হয়ে যেতে পারে। সময় যত গড়াবে, এসব স্থাপনা অপসারণের আর্থিক ও কারিগরি জটিলতার পাশাপাশি নিরাপত্তা ঝুঁকিও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হবে তেজস্ক্রিয় বর্জ্যের বিশাল বোঝা। সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে রাশিয়া ইতোমধ্যে প্রায় ৭ লাখ ৭৪ হাজার ঘনমিটার তেজস্ক্রিয় বর্জ্য পেয়েছে। আগামী দিনে আটটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৩৬টি রিঅ্যাক্টর বন্ধ ও অপসারণের ফলে আরও প্রায় ৮ লাখ ঘনমিটার তেজস্ক্রিয় বর্জ্য তৈরি হতে পারে।

রাশিয়া শিল্প খাতের পরিবেশগত দায় কীভাবে ভবিষ্যতের ওপর ঠেলে দেয়, তার উদাহরণও কম নয়। দেশটির কেমেরোভো অঞ্চলে রাশিয়ার প্রায় অর্ধেক কয়লা উৎপাদিত হয়। সেখানে কয়লা খনির বিপুল বর্জ্য স্তূপ হয়ে পরিবেশের ওপর বড় চাপ তৈরি করেছে। এসব বর্জ্যের কিছু অংশে আগুনও জ্বলতে থাকে, যার ফলে আশপাশের জনপদে দূষণ ছড়িয়ে পড়ে। কোনো কয়লা কোম্পানি দেউলিয়া হয়ে গেলে তাদের ফেলে যাওয়া পরিবেশগত দায় শেষ পর্যন্ত সরকার ও স্থানীয় জনগণের ওপর পড়তে পারে।

কিন্তু পারমাণবিক বর্জ্য কিংবা বন্ধ হয়ে যাওয়া পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর অর্থের অভাবে ফেলে রাখা যায় না। ফলে রাশিয়ার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যখন আরও চাপে পড়ছে, তখন প্রশ্নটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের এসব বিশাল প্রকল্প রক্ষণাবেক্ষণ, বন্ধ এবং শেষ পর্যন্ত অপসারণের প্রয়োজনীয় অর্থ যদি ভবিষ্যতে পাওয়া না যায়, তাহলে কী হবে?

রাশিয়া যেসব দেশে বিপুলসংখ্যক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে, সেসব দেশেরও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। কোনো কারণে রাশিয়া এসব প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ বা ভবিষ্যৎ অপসারণের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে না পারলে কী হবে, তার বিকল্প পরিকল্পনা থাকা জরুরি। কারণ ইতিহাস বলছে, রাশিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি কখনো কখনো অত্যন্ত দ্রুত ও অনিশ্চিতভাবে বদলে যেতে পারে।

পারমাণবিক ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার রাজনৈতিক প্রভাবও কম নয়। চেরনোবিল দুর্ঘটনার পর সোভিয়েত কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার তথ্য গোপন ও এর ভয়াবহতা কম করে দেখানোর চেষ্টা করেছিল। এতে জনগণের মধ্যে সরকারের প্রতি অবিশ্বাস ও হতাশা বাড়ে এবং পরবর্তী সময়ে সোভিয়েত সমাজে রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা তৈরির ক্ষেত্র তৈরি হয়।

বর্তমান রাশিয়ায় পারমাণবিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবহেলা এবং পুরোনো পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো বন্ধ ও অপসারণের কাজ বারবার পিছিয়ে দেওয়ার ঘটনাও একই ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ভবিষ্যতে কোনো বড় পরিবেশগত বিপর্যয় ঘটলে কর্তৃপক্ষ যদি আবারও তথ্য গোপন করে বা ঘটনার মাত্রা ছোট করে দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে তা নতুন করে সামাজিক অসন্তোষ সৃষ্টি করতে পারে।

রাশিয়ার অবনতিশীল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এসব ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। যুদ্ধ অর্থনীতি সচল রাখতে গিয়ে দেশটির সরকার পরিবেশগত বিধিনিষেধও অনেক ক্ষেত্রে দুর্বল করেছে। রাশিয়ার কেন্দ্রীয় বাজেটে জাতীয় প্রতিরক্ষা এখন সবচেয়ে বড় ব্যয়ের খাতগুলোর একটি। বিপরীতে পরিবেশ সুরক্ষায় বরাদ্দ তুলনামূলকভাবে খুবই কম।

পরিবেশগত বিপর্যয়ের অভিজ্ঞতাও রাশিয়ার জন্য নতুন নয়। দেশটি এখনো পুরোনো তেলবাহী জাহাজের একটি বিশাল বহর ব্যবহার করছে। ২০২৪ সালে কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার দুটি পুরোনো তেলবাহী ট্যাংকার দুর্ঘটনার পর হাজার হাজার টন জ্বালানি তেল সাগরে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটিকে কয়েক দশকের মধ্যে কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিবেশগত বিপর্যয়গুলোর একটি হিসেবে বর্ণনা করা হয়।

এ ধরনের ঘটনা থেকে রাশিয়ার পুরোনো পারমাণবিক অবকাঠামো ও ক্রমবর্ধমান তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ে।

ফলে আন্তর্জাতিক জলবায়ু ও জ্বালানি বিষয়ক ফোরামগুলোতে রাশিয়া যখন তার পারমাণবিক শিল্পের প্রসার নিয়ে প্রচার চালায়, তখন এসব প্রশ্নও সামনে আনা প্রয়োজন। বিশেষ করে জলবায়ু সম্মেলনগুলোর মতো আন্তর্জাতিক আয়োজনে রাশিয়ার পারমাণবিক শিল্পের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নিয়মিত দেখা যায়। রাশিয়া ভবিষ্যতের জ্বালানি ব্যবস্থায় নিজের অবস্থান শক্ত করতে চাইছে এবং একই সঙ্গে জ্বালানিকে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহার করছে।

আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, রাশিয়া যখন আন্তর্জাতিকভাবে পারমাণবিক শিল্প সম্প্রসারণ করছে, তখন দেশের ভেতরে পরিবেশগত প্রভাব ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাধীনভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারে এমন সংগঠন ও ব্যক্তিদের পরিসর ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে।

পরিবেশগত সংকট নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন ও কর্মীকে রাশিয়ায় নানা ধরনের সরকারি চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। বেলোনা ও গ্রিনপিসকে রাশিয়ায় ‘অবাঞ্ছিত সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পারমাণবিক ও পরিবেশগত বিষয়ে বিভিন্ন প্রচারে সক্রিয় ইকোডিফেন্সকে ‘বিদেশি এজেন্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সংগঠনটির সদস্যদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও হয়েছে।

রাশিয়ার বাইরে থাকা পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো অবশ্য এসব ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করে যাচ্ছে। নির্বাসনে থাকা ইকোডিফেন্সসহ জার্মানির কয়েকটি পরিবেশবাদী সংগঠন ইউরোপের সঙ্গে রাশিয়ার পারমাণবিক শিল্পের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিরোধিতা করছে। কারণ রাশিয়ার পারমাণবিক প্রযুক্তি ও সেবার ওপর নির্ভরতা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক চাপ বা নাশকতার সম্ভাব্য হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

স্বাধীন পর্যবেক্ষণের সুযোগ কমে যাওয়ার ফলে রাশিয়ার ভেতরের পরিবেশগত ঝুঁকি সম্পর্কে একটি বড় ধরনের তথ্যঘাটতি তৈরি হচ্ছে। কোনো পারমাণবিক দুর্ঘটনা ঘটলে তার প্রকৃত মাত্রা কর্তৃপক্ষ গোপন বা কম করে দেখাতে পারে এবং সাধারণ মানুষ হয়তো ঘটনার পূর্ণ চিত্র জানতে পারে বহু বছর, এমনকি কয়েক দশক পর।

১৯৫৭ সালের মায়াক দুর্ঘটনা এর একটি বড় উদাহরণ। সোভিয়েত কর্তৃপক্ষ ওই দুর্ঘটনা ও এর ভয়াবহ পরিণতি দীর্ঘদিন গোপন রেখেছিল। ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত, অর্থাৎ দুর্ঘটনার তিন দশকেরও বেশি সময় পরও ঘটনাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ্যে স্বীকার করা হয়নি। এর মধ্যে তেজস্ক্রিয় দূষণের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ভোগ করতে হয়েছে হাজার হাজার মানুষকে।

স্বচ্ছতার এই ঘাটতি রাশিয়ার পারমাণবিক শিল্পকে শুধু দেশটির জ্বালানি নীতির বিষয় হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখে না, বরং এটিকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও পরিবেশগত উদ্বেগের বিষয়েও পরিণত করে। পুরোনো পারমাণবিক অবকাঠামো, দুর্বল পরিবেশগত নজরদারি এবং ক্রমবর্ধমান গোপনীয়তার সংস্কৃতি এমন ঝুঁকি তৈরি করছে, যার প্রভাব রাশিয়ার সীমানা ছাড়িয়ে অন্য দেশেও পৌঁছাতে পারে।- আলজাজিরা থেকে বাংলায় রুপান্তরিত

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies