Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
অন্যান্য

স্ত্রীকে কখনো নিজের মেয়ে, আবার কখনো ভাতিজি বলে বিয়ে দিতেন স্বামী

স্ত্রীকে কখনো নিজের মেয়ে, আবার কখনো ভাতিজি বলে বিয়ে দিতেন স্বামী

নিজের স্ত্রীকেই কখনো সাজাতেন ভাতিজি। আবার কখনো নিজের মেয়ে বলে হাজির করতেন পাত্রপক্ষের সামনে। বিয়ে হয়ে গেলে কিছুদিন পর নতুন বরের বাড়ি থেকে টাকাপয়সা-গহনা নিয়ে চম্পট দিতেন নারী। প্রতারণা অভিযোগে এমন এক দম্পতিকে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) গ্রেফতার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।

ওই নারীর সঙ্গে নববিবাহিত এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে এ প্রতারক দম্পতিকে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা থানায় ঘটেছে এ ঘটনা। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

স্ত্রীকে ভাতিজি বলে পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে এক বৃদ্ধ বিয়ে দিয়েছিলেন দাবি করে অভিযোগকারী ব্যক্তি বলেন, বিয়ের এক মাসের মধ্যে তিনি এ তথ্য জানতে পারেন। এর পর ‘চাচাশ্বশুর’ অর্থাৎ তার নববধূর প্রকৃত স্বামী এবং এবং নববধূর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন।

পুলিশ জানায়, ওই দম্পতি আগেও পাত্রপক্ষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ, সোনার গহনা হাতানোর উদ্দেশে এমন কৌশলে লোক ঠকিয়েছেন। কিন্তু এতদিন ধরা পড়েননি। আবার ভুক্তভোগী অনেকে লোকলজ্জার ভয়ে পুলিশের কাছেও আসেননি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, দেগঙ্গার এক ব্যক্তি পাত্রীর খোঁজে ছিলেন। পরে ঘটকের মাধ্যমে এক যুবতীর খোঁজ পান তিনি। ছবি দেখে পাত্রী পছন্দ করেন। প্রায় এক মাস আগে একটি মন্দিরে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় পাত্রীকে আশীর্বাদ করেন তারা চাচা, যিনি আসলে তার স্বামী। কন্যা সম্প্রদানও তিনিই করেন। ওই ‘চাচা’ জানিয়েছিলেন পাত্রী তার একমাত্র ভাতিজি। পরিবারে তাদের আর কেউ নেই বলেও জানান তিনি।

তবে, কিছুদিন যেতে না যেতেই নতুন বরের সন্দেহ হয়। তিনি খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তার নববধূ এরইমধ্যে বিবাহিতা। যিনি কন্যা সম্প্রদান করেছেন তিনিই ওই যুবতীর স্বামী। শুধু তাই নয়, ওই দম্পতির দুই মেয়ে রয়েছে। তাদের বিয়েও হয়ে গেছে।

ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযুক্তদের ডেকে পাঠান স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যরা। কিন্তু, ওই দম্পতি অভিযোগ অস্বীকার করেন। এদিকে অভিযোগকারী পুলিশের দ্বারস্থ হন।

তদন্তে নেমে অভিযোগের সত্যতা পায় দেগঙ্গা থানার পুলিশ। অভিযুক্তরা স্বীকার করেন যে, তারা স্বামী-স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি এর আগেও স্ত্রীকে কখনও ভাতিজি, আবার কখনও নিজের মেয়ে পরিচয়ে পাত্রপক্ষের সামনে হাজির করেছেন। একাধিকবার বিয়ে দিয়েছেন স্ত্রীর। প্রতিবারই পাত্রপক্ষের কাছ থেকে টাকাপয়সা, গহনা হাতিয়ে পালিয়েছেন।

আরও জানা যায়, বেশ কয়েকটি পরিবারকে এই দম্পতি পরিকল্পনা করে প্রতারিত করেছেন। তবে, এবার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করলো পুলিশ। পরবর্তীতে তাদের বারাসত মহকুমা আদালতে হাজির করা হয়।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies