শুরুর দিকে ফেসবুক বা সামাজিকমাধ্যমকে কেবল বিনোদন বা যোগাযোগের মাধ্যম মনে করা হলেও এখন আর সেই সুযোগ নেই। বর্তমানে এসব মাধ্যম ব্যবহারকারীর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, ধর্মীয় বিশ্বাস, ক্রয়ক্ষমতা, সামাজিক অবস্থান, জীবনধারা, পেশাগত পরিচয়, স্বাস্থ্যসচেতনতা, পছন্দ-অপছন্দ, আদর্শ, বুদ্ধিমত্তা, দক্ষতা, মানসিকতা এবং পারিবারিক পটভূমি সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে।আপনি হয়তো হেলায় সামাজিকমাধ্যম ব্যবহার করতে গিয়ে এমন কিছু পোস্ট করছেন, যা পরবর্তীতে আপনার জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এসব পোস্টের কারণে আপনাকে নানা ধরনের সমস্যায়ও পড়তে হতে পারে। কারণ, সামাজিকমাধ্যমে আপনার আইডি বা হ্যান্ডেলের দিকে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নজর থাকতে পারে। কখনো কখনো বিশেষ প্রয়োজনে সামাজিকমাধ্যমে আপনার প্রকাশ্য তথ্য ও কার্যক্রম যাচাই করা হয়। এসব বিষয় হয়তো কখনো আপনাকে জানানো হয় না, কিংবা আপনি নিজেও তা জানতে পারেন না। অথচ এর মধ্যেই আপনার ব্যক্তিগত বা পেশাগত জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে যেতে পারে।আজ আমরা এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব, যেগুলো সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ বা শেয়ার করার আগে সতর্ক হওয়া উচিত। একই সঙ্গে এসব পোস্ট বা কার্যক্রম কীভাবে আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাগত জীবনে ক্ষতির কারণ হতে পারে, সেটিও তুলে ধরব।আপনি হয়তো হেলায় সামাজিকমাধ্যম ব্যবহার করতে গিয়ে এমন কিছু পোস্ট করছেন, যা পরবর্তীতে আপনার জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এসব পোস্টের কারণে আপনাকে নানা ধরনের সমস্যায়ও পড়তে হতে পারে। কারণ, সামাজিকমাধ্যমে আপনার আইডি বা হ্যান্ডেলের দিকে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নজর থাকতে পারে। কখনো কখনো বিশেষ প্রয়োজনে সামাজিকমাধ্যমে আপনার প্রকাশ্য তথ্য ও কার্যক্রম যাচাই করা হয়। এসব বিষয় হয়তো কখনো আপনাকে জানানো হয় না, কিংবা আপনি নিজেও তা জানতে পারেন না। অথচ এর মধ্যেই আপনার ব্যক্তিগত বা পেশাগত জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে যেতে পারে।আজ আমরা এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব, ১. ব্যক্তিগত ও গোপনীয় তথ্যনিজের ফোন নম্বর, ই-মেইল, বাসার ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ট্রেড লাইসেন্স, ব্যাংক-সংক্রান্ত তথ্য কিংবা অন্যান্য ব্যক্তিগত নথির ছবি সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করা ঝুঁকিপূর্ণ। এসব তথ্য অপরাধী বা প্রতারকরা অপব্যবহার করতে পারে। কোনো নথির ছবি প্রকাশ করতে হলে প্রয়োজনীয় সংবেদনশীল তথ্য অবশ্যই আড়াল করা উচিত।২. রিয়েল-টাইম লোকেশনআপনি এই মুহূর্তে কোথায় আছেন, নিয়মিত কোন পথে যাতায়াত করেন কিংবা প্রতিদিন কোন সময়ে কোথায় থাকেন—এসব তথ্য প্রকাশ করা নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে বাড়িতে কেউ নেই—এমন তথ্য প্রকাশ করলে চুরি বা অন্য ধরনের অপরাধের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। তাই লোকেশন শেয়ার করার ক্ষেত্রে সময় ও দর্শক নির্বাচন করা জরুরি।৩. ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিওনিজের কিংবা অন্যের ব্যক্তিগত মুহূর্ত, পারিবারিক অনুষ্ঠান বা অপ্রস্তুত অবস্থার ছবি-ভিডিও প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি নেওয়া উচিত। কারণ একবার কোনো ছবি অনলাইনে গেলে সেটি ডাউনলোড, কপি বা অন্যত্র ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো কঠিন। ব্যক্তিগত ছবি ভবিষ্যতে বিব্রতকর পরিস্থিতি বা সামাজিক ও পেশাগত সমস্যার কারণ হতে পারে।৪. প্রেম, দাম্পত্য ও পারিবারিক সম্পর্কব্যক্তিগত সম্পর্কের ভালো-মন্দ ঘটনা সামাজিকমাধ্যমে বিস্তারিত প্রকাশ করা অনেক সময় বিপদ ডেকে আনতে পারে। বিশেষ করে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর সাবেক সঙ্গীকে নিয়ে অভিযোগ, ব্যক্তিগত তথ্য বা অন্তরঙ্গ ঘটনা প্রকাশ করা উচিত নয়। এতে অন্যের গোপনীয়তা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি আপনার নিজের বিচক্ষণতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।৫. ব্যক্তিগত চ্যাট বা মেসেজের স্ক্রিনশটকেউ ব্যক্তিগতভাবে আপনাকে কোনো কথা বলেছেন মানেই সেটি প্রকাশের অনুমতি দিয়েছেন—এমন নয়। ইনবক্স, মেসেঞ্জার, ই-মেইল বা ব্যক্তিগত চ্যাটের স্ক্রিনশট প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুমতি নেওয়া উচিত। অন্যথায় বিশ্বাসের সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনি জটিলতাও তৈরি হতে পারে।৬. রাগ বা আবেগের বহিঃপ্রকাশরাগের মাথায় দেওয়া একটি পোস্ট পরে মুছে ফেললেও সেটির স্ক্রিনশট অন্যের কাছে থেকে যেতে পারে। কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সহকর্মীর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে অপমানজনক, হুমকিমূলক বা মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ করা তাই ঝুঁকিপূর্ণ। রাগের সময় পোস্ট না করে কিছু সময় অপেক্ষা করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা ভালো।৭. হতাশা ও অতিরিক্ত নেতিবাচকতাব্যক্তিগত হতাশা বা কর্মক্ষেত্রের অসন্তোষ সামাজিকমাধ্যমে বারবার প্রকাশ করলে অন্যরা আপনার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে চাকরিপ্রার্থী বা দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নেতিবাচক পোস্ট পেশাগত ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে। ব্যক্তিগত সমস্যা থাকলে তা প্রকাশ্যে না এনে বিশ্বস্ত মানুষের সঙ্গে আলোচনা করা বেশি নিরাপদ।৮. অমর্যাদাকর ও কুরুচিপূর্ণ ভাষাগালি, অশালীন মন্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা কাউকে হেয় করে লেখা পোস্ট আপনার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে অন্যদের ধারণা বদলে দিতে পারে। আপনার শিক্ষক, সহকর্মী, বস, ক্লায়েন্ট কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়োগকর্তা এসব পোস্ট দেখতে পারেন। ফলে অনলাইনের ভাষা ব্যবহারের ধরন বাস্তব জীবনের পেশাগত সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে।৯. ধর্ম, জাতি, লিঙ্গ ও পরিচয় নিয়ে উসকানিমূলক মন্তব্যধর্ম, জাতিগত পরিচয়, বর্ণ, লিঙ্গ, অঞ্চল বা অন্য কোনো সামাজিক পরিচয় নিয়ে বিদ্বেষপূর্ণ কিংবা অবমাননাকর মন্তব্য করা উচিত নয়। এ ধরনের বক্তব্য সামাজিক উত্তেজনা তৈরি করার পাশাপাশি আপনার সামাজিক ও পেশাগত গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী আইনি সমস্যাও হতে পারে।১০. যাচাইহীন রাজনৈতিক বা সামাজিক মতামতরাজনৈতিক মতামত প্রকাশ করা স্বাভাবিক অধিকার। কিন্তু কোনো তথ্য যাচাই না করে রাজনৈতিক পোস্ট, গুজব বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য শেয়ার করা বিপজ্জনক। বিশেষ করে ভিন্নমতের মানুষকে অপমান বা আক্রমণ করে নিয়মিত পোস্ট করলে ভবিষ্যৎ নিয়োগকর্তা বা পেশাগত সহযোগীরা আপনার নিরপেক্ষতা ও সহনশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন।১১. অতিরিক্ত রাজনৈতিক বা বিতর্কিত মতাদর্শের প্রচারনিজের রাজনৈতিক অবস্থান থাকা স্বাভাবিক। তবে ভিন্নমতের মানুষকে শত্রু, অযোগ্য বা ঘৃণার পাত্র হিসেবে উপস্থাপন করে নিয়মিত প্রচারণা চালানো পেশাগত সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মতামত এবং অন্যের সঙ্গে পেশাদার আচরণ—দুটিকে আলাদা রাখার সক্ষমতাও কর্মক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।১২. ভুয়া অভিজ্ঞতা বা দক্ষতার দাবিসামাজিকমাধ্যমে নিজের যোগ্যতা ও অর্জন তুলে ধরা ভালো। কিন্তু যে দক্ষতা নেই, সেটি আছে বলে দাবি করা কিংবা অন্যের কাজকে নিজের কাজ হিসেবে উপস্থাপন করা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর। চাকরির ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তারা আপনার অনলাইন প্রোফাইল, সিভি ও বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্যে অসঙ্গতি খুঁজে পেতে পারেন। একটি মিথ্যা ধরা পড়লে অন্য তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতাও প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।১৩. চাকরি না পাওয়ার ক্ষোভ প্রকাশচাকরিতে আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হওয়া কিংবা ইন্টারভিউ দিয়েও চাকরি না পাওয়া হতাশাজনক। কিন্তু সেই ক্ষোভে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, নিয়োগকর্তা বা ইন্টারভিউ বোর্ডকে নিয়ে অপমানজনক পোস্ট করা ভবিষ্যতে আপনার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। একই প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অন্য নিয়োগকর্তারাও এমন পোস্ট দেখতে পারেন।১৪. অফিস বা কর্মক্ষেত্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়অফিসের মিটিং, সহকর্মীর বক্তব্য, বসের সঙ্গে বিরোধ, অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত বা কর্মক্ষেত্রের সমস্যা সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করা পেশাদার আচরণ নাও হতে পারে। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ তথ্য প্রকাশ করলে আপনার ওপর কর্তৃপক্ষের আস্থা কমতে পারে। অভিযোগ থাকলে প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় তা জানানোই ভালো।১৫. প্রতিষ্ঠানের গোপনীয় তথ্যকোম্পানির আর্থিক তথ্য, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, নতুন পণ্য, গ্রাহকের তথ্য, ব্যবসায়িক কৌশল কিংবা অপ্রকাশিত সিদ্ধান্ত কর্মীদের কাছে থাকলেও সেগুলো প্রকাশের অধিকার সবসময় থাকে না। চাকরির চুক্তি বা প্রতিষ্ঠানের গোপনীয়তা নীতিমালা এসব তথ্য প্রকাশে বাধা দিতে পারে। তাই কোনো অফিস-সংক্রান্ত তথ্য পোস্ট করার আগে সেটি প্রকাশযোগ্য কি না নিশ্চিত হওয়া জরুরি।১৬. বস বা সহকর্মীকে ইঙ্গিত করে পোস্টনাম উল্লেখ না করলেও পোস্টের সময়, ভাষা ও ঘটনার বিবরণ দেখে অনেক সময় বোঝা যায় কাকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছে। ‘কিছু অযোগ্য বস’, ‘কিছু ভণ্ড সহকর্মী’—এ ধরনের পরোক্ষ পোস্টও কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক নষ্ট করতে পারে। ব্যক্তিগত বিরোধ সামাজিকমাধ্যমে না নিয়ে সরাসরি বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা বেশি কার্যকর।১৭. সাবেক কর্মক্ষেত্র নিয়ে বিদ্বেষ প্রকাশচাকরি ছেড়ে আসার পর সাবেক প্রতিষ্ঠান বা বসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থাকা অসম্ভব নয়। তবে প্রতিশোধমূলক পোস্ট, অভ্যন্তরীণ তথ্য প্রকাশ কিংবা ব্যক্তিগত অপমান ভবিষ্যৎ নিয়োগকর্তার কাছে নেতিবাচক বার্তা দিতে পারে। তারা ভাবতে পারেন, ভবিষ্যতে আপনি তাদের প্রতিষ্ঠান ছাড়লেও একইভাবে অভ্যন্তরীণ বিষয় প্রকাশ করবেন।১৮. চাকরি ও কর্মঘণ্টা নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য‘এই চাকরি অসহ্য’, ‘কাজ করতে ভালো লাগে না’, ‘অফিসে শুধু সময় নষ্ট হয়’—এ ধরনের পোস্ট নিয়মিত করলে আপনার কর্মসংস্কৃতি ও দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। বিশেষ করে কর্মঘণ্টার মধ্যে অফিসের কাজের বদলে সামাজিকমাধ্যমে নেতিবাচক পোস্ট করা আপনার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দৃষ্টিতে আরও খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।১৯. প্রতিষ্ঠানের স্বার্থবিরোধী কনটেন্টনিজের প্রতিষ্ঠানের পণ্য, সেবা, ব্র্যান্ড বা গ্রাহকদের নিয়ে এমন পোস্ট করা উচিত নয়, যা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। মজা, ট্রল বা রসিকতার জন্য করা পোস্টও কখনো কখনো ভুলভাবে ব্যাখ্যা হতে পারে। কর্মস্থলের পরিচয় যদি আপনার সামাজিকমাধ্যমের প্রোফাইলে উল্লেখ থাকে, তাহলে এ বিষয়ে আরও বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।২০. স্বার্থের সংঘাতআপনি যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন, তার সরাসরি প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যক্তিগত বা আর্থিক সম্পর্ক থাকলে সেটি স্বার্থের সংঘাত তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে নিজের প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবার প্রচারণা চালালে কর্তৃপক্ষ আপনার পেশাগত নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। তাই ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড ও পেশাগত দায়িত্বের মধ্যে সম্ভাব্য সংঘাত আছে কি না, তা বিবেচনা করা জরুরি।শেষ কথাসামাজিকমাধ্যম এখন শুধু বিনোদন বা যোগাযোগের জায়গা নয়; এটি একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব, মূল্যবোধ, দায়িত্ববোধ, পেশাদারিত্ব ও সামাজিক আচরণের একটি অনলাইন প্রতিচ্ছবি হিসেবেও কাজ করতে পারে। তাই কিছু পোস্ট করার আগে কয়েকটি প্রশ্ন নিজেকে করা ভালো—
ফেসবুকে এই ২০ বিষয়ে পোস্ট করার আগে ভাবুন, বিশেষত চাকরিপ্রার্থী ও চাকরিজীবীরা
React:

