Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
অন্যান্য

জুলাই আন্দোলনের আলোচিত ফাইয়াজ পেলেন এইচএসসিতে জিপিএ-৫

জুলাই আন্দোলনের আলোচিত ফাইয়াজ পেলেন এইচএসসিতে জিপিএ-৫

২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় গ্রেপ্তার, রিমান্ড এবং হাত বাঁধা অবস্থায় আদালতে নেওয়ার ছবি ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে আলোচনায় আসেন কিশোর হাসনাতুল ইসলাম ফাইয়াজ। সেই আলোচিত ফাইয়াজ এবার এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করেছেন। তিনি বাংলা বিষয় ছাড়া বাকি সব বিষয়ে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বড় ভাই ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন ফাইয়াজ। তখন তিনি ছিলেন মাত্র ১৭ বছর বয়সী ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী। ১৭ জুলাই থেকেই তিনি আন্দোলনে অংশ নিতে শুরু করেন। আন্দোলনের সময় বন্ধুদের সঙ্গে মিলে সামনের সারিতে থাকা আন্দোলনকারীদের পানি ও খাবার সরবরাহ করার পাশাপাশি স্লোগান দিয়ে আন্দোলনকারীদের উৎসাহিত করতেন তিনি।

আন্দোলনের উত্তাল সময়ে ২৪ জুলাই রাতে রাজধানীর মাতুয়াইলের বাসা থেকে সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে তাকে তুলে নেওয়া হয়। এরপর কয়েক দিন তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। ২৭ জুলাই তাকে পুলিশ সদস্য গিয়াস উদ্দিন হত্যা মামলায় আদালতে হাজির করা হয়। ওই দিন ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত তাকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালত থেকে বের করার সময় ফাইয়াজের দুই হাত দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় প্রিজনভ্যানে তোলার একটি ছবি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। মাত্র ১৭ বছর বয়সী একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে এমন আচরণ নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতেও রিট করা হয়। পরদিন ২৮ জুলাই ফাইয়াজের জন্মনিবন্ধন ও এসএসসি পরীক্ষার সনদ আদালতে উপস্থাপন করে তার আইনজীবীরা জানান যে তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক। পরে ঢাকা শিশু আদালত তাকে অপ্রাপ্তবয়স্ক ঘোষণা করে সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ বাতিল করেন এবং তাকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরবর্তী সময়ে ২৯ জুলাই হাইকোর্টে শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষও স্বীকার করে যে, ফাইয়াজকে রিমান্ডে নেওয়া এবং দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখার ঘটনাটি ভুল ছিল।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies