বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি:
জামালপুরের বকশীগঞ্জে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন তিন সাংবাদিক। তাঁদের অভিযোগ, পরিচয় দিয়ে তথ্য জানতে চাইলে প্রয়োজনীয় তথ্য না দিয়ে উল্টো তাঁদের ভিডিও করেন মেরুরচর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে মেরুরচর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করতে যান দৈনিক ডেসটিনি পত্রিকার বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি তাহের শেখ, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের প্রতিনিধি মারুফ হাসান এবং দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি মো. আমিনুল ইসলাম।
সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁরা ভূমি কার্যালয়ে গিয়ে কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের পরিচয় ও দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চান। এ সময় ওই কর্মকর্তা উত্তেজিত হয়ে তাঁদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিকরা। তাঁদের দাবি, পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলেও তাঁরা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাননি। উল্টো তাঁদের ভিডিও করা হয়।
সাংবাদিকরা জানান, সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম ও সেবার পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যেই তাঁরা সেখানে গিয়েছিলেন।
এদিকে, বুধবার দুপুরে সরেজমিনে পরিদর্শনকালে ভূমি কার্যালয়ে বিদ্যুৎ ছিল না এবং আইপিএস বন্ধ দেখা যায়। এ সময় দাপ্তরিক কার্যক্রম চলতে দেখা যায়নি। তবে কার্যালয়ে জেনারেটর রয়েছে বলে সাংবাদিকরা জানান। পরবর্তী সময়ে তাঁদের উপস্থিতিতে একজন সেবাগ্রহীতাকে সেবা প্রদান করা হয়।
এ ছাড়া কার্যালয়ের অনার বোর্ডটি সিঁড়ির নিচে পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানান সাংবাদিকরা। কার্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম, সেবার মান ও জনসাধারণের ভোগান্তি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের অংশ হিসেবে তাঁরা এসব বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন।
এ বিষয়ে মেরুরচর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
বকশীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা বলেন, “তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বকশীগঞ্জে সাংবাদিকদের তথ্য না দিয়ে, ভিডিও করার অভিযোগ ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে
React:

