Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
অন্যান্য

VARK Model: Learning Style নয়, Learning Diversity — কার্যকর পাঠদানের জন্য শিক্ষকের করণীয়

VARK Model: Learning Style নয়, Learning Diversity — কার্যকর পাঠদানের জন্য শিক্ষকের করণীয়

একটি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক যখন দাঁড়িয়ে পাঠদান করেন, তখন তাঁর সামনে সাধারণত একই শ্রেণির, প্রায় একই বয়সের এবং একই পাঠ্যবই পড়া একদল শিক্ষার্থী থাকে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতে পারে, সবাই যেহেতু একই বিষয় শিখছে, তাই সবাইকে একইভাবে শেখালেই হয়। কিন্তু একজন শিক্ষক একটু গভীরভাবে লক্ষ্য করলেই বুঝতে পারবেন, একই শ্রেণিকক্ষে বসে থাকা শিক্ষার্থীদের শেখার অভিজ্ঞতা মোটেও একরকম নয়। কেউ শিক্ষক যা বলেন তা শুনে দ্রুত বুঝে ফেলে, কেউ বোর্ডে লেখা বা কোনো ছবি দেখে বিষয়টি সহজে ধরতে পারে, কেউ নিজে পড়তে ও লিখতে গিয়ে ভালো শেখে, আবার কেউ কোনো বিষয় হাতে-কলমে বা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত করতে পারলে বেশি ভালোভাবে বুঝতে পারে। কেউ একবার ব্যাখ্যা করলেই বুঝে যায়, আবার কারও একই বিষয় অন্য উদাহরণ দিয়ে আরও একবার বোঝাতে হয়। কেউ ক্লাসে খুব সক্রিয়, কেউ চুপচাপ বসে থেকে নিজের মতো করে শেখে। এই পার্থক্যগুলোই একটি শ্রেণিকক্ষকে একই সঙ্গে চ্যালেঞ্জিং এবং সম্ভাবনাময় করে তোলে।

এই জায়গা থেকেই “Learning Styles” বা শিখন-শৈলী নিয়ে আমাদের আলোচনা শুরু হয়। শিক্ষকদের মধ্যে Visual, Auditory, Reading/Writing এবং Kinesthetic—এই চার ধরনের learning style-এর ধারণা অনেকের কাছেই বেশ পরিচিত। অনেক সময় বলা হয়, কেউ visual learner, কেউ auditory learner, কেউ reading/writing learner, আবার কেউ kinesthetic learner। ধারণাটি আকর্ষণীয়, কারণ শ্রেণিকক্ষে আমরা সত্যিই দেখতে পাই যে সব শিক্ষার্থী একই ধরনের কার্যক্রমে সমানভাবে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না। কিন্তু এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীর কোনো নির্দিষ্ট পদ্ধতি পছন্দ করা এবং সেই পদ্ধতিতেই সে সবচেয়ে ভালো শেখে—এই দুটি বিষয় এক নয়। গবেষণায় এমন শক্ত প্রমাণ নেই যে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর একটি নির্দিষ্ট learning style শনাক্ত করে সেই style অনুযায়ী instruction দিলে তার শেখার ফল নিশ্চিতভাবে উন্নত হয়। তাই শিক্ষার্থীদের স্থায়ীভাবে “visual learner” বা “auditory learner” হিসেবে চিহ্নিত করার চেয়ে তাদের বৈচিত্র্য, প্রয়োজন, পূর্বজ্ঞান, আগ্রহ এবং কাজের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের শেখার সুযোগ তৈরি করাই বেশি যুক্তিসঙ্গত।

আমার মনে হয়, এখানেই একজন শিক্ষকের জন্য বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। Learning styles-এর ধারণাকে যদি কঠোর কোনো formula হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে সেটি বরং শিক্ষার্থীর জন্য সীমাবদ্ধতা তৈরি করতে পারে। একজন শিক্ষার্থীকে যদি বলা হয়, “তুমি visual learner”, তাহলে সে হয়তো মনে করতে পারে যে লিখে পড়া তার জন্য নয়। আবার কাউকে “auditory learner” বলা হলে সে হয়তো ধরে নিতে পারে যে শুধু শুনেই সে শিখতে পারবে। বাস্তবে মানুষের শেখার প্রক্রিয়া এত সরল নয়। আমরা পরিস্থিতি, বিষয়, বয়স, পূর্বজ্ঞান, আগ্রহ এবং কাজের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন উপায়ে শিখি। একজন শিক্ষার্থী vocabulary শেখার সময় ছবি দেখে উপকৃত হতে পারে, grammar বোঝার সময় উদাহরণ ও ব্যাখ্যা প্রয়োজন হতে পারে, আবার speaking skill উন্নত করার সময় তাকে অবশ্যই কথা বলার সুযোগ দিতে হবে। অর্থাৎ একই শিক্ষার্থীও ভিন্ন ধরনের শেখার কাজে ভিন্ন ধরনের সহায়তা চাইতে পারে।

তাহলে Learning Styles-এর ধারণা নিয়ে আলোচনা করার প্রয়োজন কোথায়? আমার কাছে এর সবচেয়ে কার্যকর দিক হলো—এটি শিক্ষককে মনে করিয়ে দেয় যে শিক্ষার্থীরা একরকম নয় এবং একই teaching method সব পরিস্থিতিতে সবার জন্য সমান কার্যকর নাও হতে পারে। একজন শিক্ষক যদি প্রতিটি ক্লাসে শুধু lecture দেন, textbook পড়ান এবং শেষে written exercise করান, তাহলে কিছু শিক্ষার্থী ভালো করলেও অন্যদের অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত হয়ে যেতে পারে। তাই নির্দিষ্ট learning style-এর label ব্যবহার না করে teaching এবং learning activities-এ কিছুটা variety রাখা যেতে পারে। একই learning objective অর্জনের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী explanation, ছবি, আলোচনা, লেখা, প্রশ্নোত্তর, pair work, group work, role-play, demonstration কিংবা practical task ব্যবহার করা যেতে পারে।

ধরা যাক, একজন শিক্ষক “Preposition” পড়াচ্ছেন। তিনি চাইলে বোর্ডে সংজ্ঞা লিখে দিতে পারেন এবং শিক্ষার্থীদের দিয়ে fill-in-the-blanks করাতে পারেন। এতে কিছু শিক্ষার্থী নিয়মটি বুঝবে এবং পরীক্ষাতেও ভালো করতে পারে। কিন্তু অন্যদের জন্য বিষয়টি আরও বাস্তবভাবে দেখানো যেতে পারে। শিক্ষক টেবিলের ওপর একটি বই রেখে বলতে পারেন, “The book is on the table.” তারপর বইটি টেবিলের নিচে রেখে বলতে পারেন, “The book is under the table.” এরপর বইটি টেবিলের পাশে রেখে বলতে পারেন, “The book is beside the table.” শিক্ষার্থীদের দিয়েও বইটি বিভিন্ন জায়গায় রাখতে বলা যায়। তারপর তারা নিজেরা কয়েকটি sentence তৈরি করতে পারে। এখানে কাউকে “kinesthetic learner” হিসেবে চিহ্নিত করার প্রয়োজন নেই। শিক্ষক শুধু abstract grammar rule-কে একটি বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করেছেন।

Vocabulary শেখানোর ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য। ধরুন, “market” নিয়ে vocabulary শেখানো হচ্ছে। শিক্ষক শুধু শব্দের বাংলা অর্থ লিখে দিতে পারেন। কিন্তু তার সঙ্গে একটি market-এর ছবি দেখানো, pronunciation practice, কয়েকটি sentence তৈরি এবং শেষে ছোট একটি dialogue করানো হলে শেখার অভিজ্ঞতাটি আরও সমৃদ্ধ হতে পারে। যেমন একজন শিক্ষার্থী বলবে, “How much is this?” অন্যজন বলবে, “It is 200 taka.” এখানে শিক্ষার্থী শুধু একটি শব্দের অর্থ জানছে না; সে শব্দটি দেখছে, শুনছে, পড়ছে এবং context-এর মধ্যে ব্যবহারও করছে। ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে এই ব্যবহারিক দিকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের শ্রেণিকক্ষের বাস্তবতা অবশ্যই আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। অনেক স্কুল-কলেজে class size বড়, সময় সীমিত এবং teaching resources খুব বেশি নয়। একটি শ্রেণিতে ৫০ বা ৬০ জন শিক্ষার্থী থাকলে প্রত্যেকের জন্য আলাদা activity তৈরি করা সম্ভব নয়। কিন্তু variety মানেই expensive technology বা অনেক উপকরণ নয়। একটি ছবি, কয়েকটি প্রশ্ন, একটি ছোট dialogue, pair discussion কিংবা পাঁচ মিনিটের role-play দিয়েও lesson-এর ধরন বদলে দেওয়া যায়। একজন শিক্ষক একই textbook ব্যবহার করেও teaching approach-এ পরিবর্তন আনতে পারেন।

এখানে শিক্ষার্থীদের prior knowledge বা পূর্বজ্ঞানও গুরুত্বপূর্ণ। একই শ্রেণির সব শিক্ষার্থী যে একই জায়গা থেকে শেখা শুরু করছে, এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। একজন শিক্ষার্থী হয়তো আগেই কোনো বিষয় coaching বা private tutoring-এর মাধ্যমে শিখেছে। অন্যজন হয়তো প্রথমবার বিষয়টির মুখোমুখি হচ্ছে। একজনের vocabulary অনেক বেশি, অন্যজন basic sentence গঠনেও সমস্যায় পড়ে। তাই একই task সবার জন্য একইভাবে দেওয়া হলে কেউ খুব সহজে শেষ করে ফেলবে, আবার কেউ শুরু করতেই সমস্যায় পড়বে।

এই জায়গায় differentiation-এর ধারণাটি কাজে আসতে পারে। Differentiation মানে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য সম্পূর্ণ আলাদা lesson তৈরি করা নয়। বরং একই learning objective রেখে task-এর complexity, support অথবা challenge-এর মাত্রা কিছুটা পরিবর্তন করা। উদাহরণ হিসেবে একটি speaking class-এর কথা ধরা যাক। শিক্ষক যদি দুর্বল শিক্ষার্থীকে বলেন, “Tell me about your family”, সে হয়তো কিছুই বলতে পারবে না। কিন্তু sentence starter দিলে কাজটি অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে:

“There are ___ people in my family.”

“My father is a ___.”

“My mother works as a ___.”

“I have ___ brother(s)/sister(s).”

অন্যদিকে অপেক্ষাকৃত দক্ষ শিক্ষার্থীকে একই বিষয়ের ওপর follow-up questions বা extended response দিতে বলা যেতে পারে। Learning objective একই থাকতে পারে, কিন্তু support-এর মাত্রা ভিন্ন হতে পারে।

একজন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীর ভুলকে কীভাবে দেখছি, সেটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শিক্ষার্থী grammar exercise-এ বারবার ভুল করছে মানেই সে অলস বা অমনোযোগী—এমন সিদ্ধান্তে খুব দ্রুত পৌঁছানো উচিত নয়। হয়তো সে নিয়মটি বুঝেছে, কিন্তু প্রয়োগ করতে পারছে না। হয়তো তার vocabulary সীমিত। হয়তো instruction সে ঠিকভাবে বুঝতে পারেনি। হয়তো একা লিখতে গিয়ে সমস্যায় পড়ে, কিন্তু pair work-এ ভালো করে। আবার এমনও হতে পারে যে সে বিষয়টি জানে, কিন্তু সবার সামনে উত্তর দেওয়ার সময় nervous হয়ে যায়।

তাই একজন শিক্ষক যদি শুধু “ভুল কতটি হয়েছে” দেখেন, তাহলে সমস্যার কারণটি অদৃশ্য থেকে যায়। বরং প্রশ্ন করা দরকার—“সে কোথায় আটকে যাচ্ছে?” এই একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলেই শিক্ষক অনেক বেশি কার্যকর intervention নিতে পারেন।

আমার নিজের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতায় এমন শিক্ষার্থী বারবার দেখেছি, যারা লিখিত কাজের সময় খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী নয়, কিন্তু তাদের কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলার সুযোগ দিলে তাদের চিন্তাভাবনা অনেক পরিষ্কারভাবে প্রকাশ পায়। আবার এমন শিক্ষার্থীও আছে, যারা পুরো ক্লাসের সামনে খুব বেশি কথা বলে না, কিন্তু লিখিত কাজে অত্যন্ত ভালো করে। এর অর্থ এই নয় যে একজন “speaking learner” এবং অন্যজন “writing learner”। বরং এটি আমাদের দেখায় যে শিক্ষার্থীর সক্ষমতা প্রকাশের ধরন ভিন্ন হতে পারে। তাই একজন শিক্ষককে শুধু একটি performance-এর ওপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থীর সামগ্রিক সক্ষমতা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভালো।

এই বিষয়টি assessment বা মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সবসময় শুধু লিখিত পরীক্ষা নিলে শিক্ষার্থীর জ্ঞান যাচাই করা গেলেও তার মৌখিক যোগাযোগ, উপস্থাপনা, সৃজনশীলতা, সহযোগিতা কিংবা বাস্তব পরিস্থিতিতে শেখা বিষয় প্রয়োগের দক্ষতা যথাযথভাবে ধরা নাও পড়তে পারে। এর অর্থ অবশ্যই এই নয় যে written examination অপ্রয়োজনীয়। বরং কোন learning outcome মূল্যায়ন করা হচ্ছে, তার ওপর assessment method নির্ভর করা উচিত। Writing skill মূল্যায়ন করতে হলে writing task প্রয়োজন। Speaking skill মূল্যায়ন করতে হলে শিক্ষার্থীকে কথা বলার সুযোগ দিতে হবে। কোনো project-এর উদ্দেশ্য যদি research, collaboration এবং presentation skill তৈরি করা হয়, তাহলে শুধু একটি written test দিয়ে সেই পুরো learning outcome মাপা কঠিন।

তাই কখনো oral presentation, কখনো poster বা project, কখনো role-play, কখনো pair work, আবার কখনো written task ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের সক্ষমতা প্রকাশ করার সুযোগ পায় এবং শিক্ষকও তাদের শেখার অগ্রগতি সম্পর্কে আরও বিস্তৃত ধারণা পান।

তবে assessment-এর ক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। শুধু assessment-এর ধরন পরিবর্তন করলেই হবে না; assessment criteria-ও পরিষ্কার হওয়া দরকার। যেমন একটি presentation-এর ক্ষেত্রে content, organization, language accuracy, pronunciation এবং delivery—কোন বিষয়গুলো বিবেচনা করা হবে তা শিক্ষার্থীদের আগে জানিয়ে দেওয়া যেতে পারে। এতে শিক্ষার্থী বুঝতে পারে তার কাছ থেকে কী প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

হোমওয়ার্ক বা project-এর ক্ষেত্রেও কিছুটা choice দেওয়া যেতে পারে। যেমন শিক্ষক বলতে পারেন, “তুমি চাইলে একটি poster তৈরি করতে পারো, একটি ছোট গল্প লিখতে পারো অথবা বিষয়টি দুই মিনিটের oral presentation-এর মাধ্যমে উপস্থাপন করতে পারো।” এখানে উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীকে তার কথিত learning style অনুযায়ী কাজ বেছে দিতে বাধ্য করা নয়। বরং একই learning objective অর্জনের জন্য একাধিক meaningful option দেওয়া। তবে option যতই ভিন্ন হোক, academic expectation যেন মোটামুটি একই থাকে। নইলে choice দেওয়ার নামে assessment-এর standard ভিন্ন হয়ে যেতে পারে।

শিক্ষার্থীদের শেখানোর ক্ষেত্রে শিক্ষক নিজেকেও নিয়মিত প্রশ্ন করতে পারেন। “আজ আমি কী পড়াব?”—এর পাশাপাশি আরও কয়েকটি প্রশ্ন করা দরকার: “আজ শিক্ষার্থীরা কী শিখবে?”, “তারা কীভাবে practice করবে?”, “তারা কতক্ষণ নিজেরা কাজ করবে?”, “আমি কীভাবে বুঝব যে তারা শিখেছে?” এই প্রশ্নগুলো lesson planning-কে অনেক বেশি purposeful করে।

একটি ৪০ মিনিটের ক্লাসে শিক্ষক ৩০ মিনিট কথা বললেন—এটি ভালো lesson-এর প্রমাণ নয়। বরং শিক্ষার্থীরা কী করেছে, কীভাবে অংশ নিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত কী করতে পেরেছে—সেদিকেও নজর দিতে হবে। বিশেষ করে language classroom-এ teacher talk-এর পাশাপাশি student talk-এর সুযোগ তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন শিক্ষার্থী grammar rule শুনে বুঝতে পারে, কিন্তু সেই rule ব্যবহার করে নিজের sentence তৈরি না করলে শেখাটি কতটা স্থায়ী হয়েছে, তা বোঝা কঠিন।

ধরা যাক, lesson-এর topic “My Daily Routine” শিক্ষক প্রথমে wake up, brush my teeth, have breakfast, go to school ইত্যাদি vocabulary introduce করতে পারেন। এরপর শিক্ষার্থীদের একটি ছোট passage পড়তে দেওয়া যেতে পারে। passage থেকে কয়েকটি comprehension question করা যায়। তারপর pair work-এ একজন আরেকজনকে প্রশ্ন করবে—“What time do you get up?” “What do you do after breakfast?” সবশেষে প্রত্যেকে নিজের daily routine নিয়ে এক মিনিট কথা বলতে পারে। একই lesson-এর মধ্যে vocabulary, reading, comprehension, interaction এবং speaking practice চলে আসে।

তবে variety-এর অর্থ প্রতিটি lesson-এ যত বেশি সম্ভব activity ঢুকিয়ে দেওয়া নয়। এতে lesson বরং অগোছালো হয়ে যেতে পারে। একজন শিক্ষককে সবসময় প্রশ্ন করতে হবে—“আমি এই activity কেন করছি?” শুধু “শিক্ষার্থীরা মজা পাবে” উত্তরটি যথেষ্ট নয়। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো—“এই activity কি আজকের learning objective অর্জনে সাহায্য করছে?” যদি করে, তাহলে activity-এর মূল্য আছে। না করলে সেটি বাদ দেওয়াই ভালো।

শিক্ষার্থীদের cognitive development-এর দিকটিও বিবেচনা করা দরকার। Bloom’s Taxonomy এখানে একটি কার্যকর framework হতে পারে। শিক্ষার্থীরা শুধু তথ্য মনে রাখছে কি না, সেটি দিয়ে শেখার পুরো চিত্র বোঝা যায় না। Remember এবং Understand-এর পাশাপাশি Apply, Analyze, Evaluate এবং Create-এর মতো চিন্তার স্তরও lesson-এ ধীরে ধীরে যুক্ত করা যেতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে, একটি গল্প পড়ানোর পর প্রথমে শিক্ষার্থীদের character-এর নাম বা ঘটনার তথ্য মনে করতে বলা যায়। এরপর নিজের ভাষায় গল্পটি বলতে বলা যেতে পারে। তারপর প্রশ্ন করা যায়—“Why do you think the character made this decision?” আরও পরে বলা যেতে পারে—“Do you agree with the character’s decision? Why?” শেষে শিক্ষার্থীদের দিয়ে গল্পটির একটি alternative ending লিখতে বা বলতে দেওয়া যেতে পারে। এতে একই lesson ধীরে ধীরে recall থেকে deeper thinking-এর দিকে এগোয়।

শিক্ষার্থীদের choice দেওয়ার বিষয়টিও এখানেই যুক্ত করা যায়। একটি assignment-এর ক্ষেত্রে বলা যেতে পারে—

“এই topic-এর ওপর তুমি যেকোনো একটি কাজ করতে পারো: একটি ৩০০ শব্দের লেখা, একটি poster অথবা একটি তিন মিনিটের presentation।”

এখানে choice আছে, কিন্তু কাঠামোও আছে। শিক্ষক topic নির্ধারণ করছেন, learning objective নির্ধারণ করছেন এবং assessment criteria জানিয়ে দিচ্ছেন। শিক্ষার্থী শুধু কাজের format বেছে নিচ্ছে। এই ধরনের সীমিত choice শিক্ষার্থীর autonomy বাড়াতে পারে, একই সঙ্গে teacher-এর academic expectation-ও বজায় থাকে।

Speaking-এর ক্ষেত্রেও ছোট ছোট পরিবর্তন বড় পার্থক্য তৈরি করতে পারে। যে শিক্ষার্থী পুরো ক্লাসের সামনে কথা বলতে ভয় পায়, তাকে প্রথম দিনেই সবার সামনে দাঁড় করানো সবসময় কার্যকর নাও হতে পারে। বরং সে প্রথমে নিজের উত্তর তৈরি করতে পারে, তারপর একজন partner-এর সঙ্গে practice করতে পারে, এরপর ছোট group-এ বলতে পারে এবং পরে পুরো class-এর সামনে আসতে পারে। এই progression অনেক শিক্ষার্থীর জন্য confidence তৈরিতে সহায়ক হতে পারে।

Writing-এর ক্ষেত্রেও struggling learners-এর জন্য sentence starter ব্যবহার করা যায়। যেমন—

“My favourite person is ___ because ___.”

“I agree with this idea because ___.”

“The main problem in the story is ___.”

“The character decided to ___ because ___.”

এগুলো শিক্ষার্থীর হয়ে উত্তর লিখে দেয় না; বরং তাকে শুরু করার একটি কাঠামো দেয়। পরে যখন সে বেশি confident হবে, তখন এই support ধীরে ধীরে কমিয়ে দেওয়া যায়।

Pair work এবং group work-ও পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা দরকার। “দুজন মিলে কাজ করো” বা “চারজনের group করো”—এতটুকু নির্দেশ অনেক সময় যথেষ্ট নয়। কে প্রশ্ন করবে, কে উত্তর দেবে, কে লিখবে, কে সময় দেখবে এবং কে presentation দেবে—এগুলো নির্ধারণ করলে group work অনেক বেশি কার্যকর হয়। পরের activity-তে role পরিবর্তন করে দেওয়া যেতে পারে। এতে একজন শিক্ষার্থী সবসময় একই দায়িত্বে আটকে থাকে না।

প্রশ্ন করার ক্ষেত্রেও বৈচিত্র্য আনা যায়। সব প্রশ্নের উত্তর যদি শুধু “yes”, “no” বা এক শব্দে দেওয়া যায়, তাহলে শিক্ষার্থীদের চিন্তার সুযোগ সীমিত হয়। একটি বিষয় নিয়ে শিক্ষক প্রথমে factual question করতে পারেন, তারপর explanation চাইতে পারেন, এরপর application বা opinion-based question করতে পারেন। যেমন—

“What is the main idea?”

“Can you explain it in your own words?”

“How can you use this idea in real life?”

“Why do you agree or disagree?”

“Can you create another example?”

এভাবে প্রশ্নের ধরন পরিবর্তন করলে শিক্ষার্থীরা শুধু তথ্য মনে রাখার পরিবর্তে বিষয়টি বুঝতে, প্রয়োগ করতে এবং নিজের মতামত প্রকাশ করতে শেখে।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উত্তর দেওয়ার আগে কিছু “thinking time” দেওয়া দরকার। প্রশ্ন করার সঙ্গে সঙ্গে “Who can answer?” বললে সাধারণত যারা দ্রুত চিন্তা করতে পারে বা বেশি confident, তারাই হাত তোলে। অন্যদের জন্য কয়েক সেকেন্ড সময় দেওয়া যেতে পারে। “Think–Pair–Share” পদ্ধতি এখানে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়। প্রথমে সবাই নিজের উত্তর ভাববে, তারপর একজন partner-এর সঙ্গে আলোচনা করবে এবং শেষে কয়েকজন পুরো class-এ উত্তর দেবে। এতে অপেক্ষাকৃত নীরব শিক্ষার্থীদেরও অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়।

শিক্ষকের observation-ও একটি গুরুত্বপূর্ণ tool। কোনো শিক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষায় দুর্বল হলেও group discussion-এ খুব ভালো idea দিতে পারে। কেউ presentation-এ ভালো করতে পারে, কিন্তু writing-এ grammar mistake করতে পারে। কেউ vocabulary ভালো জানে, কিন্তু sentence তৈরি করতে পারে না। এসব observation শিক্ষককে পরবর্তী lesson plan এবং support-এর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

তবে observation যেন শুধু impression-এর ওপর নির্ভর না করে। “এই ছাত্র ভালো”, “ওই ছাত্র দুর্বল”—এ ধরনের label অনেক সময় বিভ্রান্তিকর হতে পারে। বরং নির্দিষ্ট evidence দেখা দরকার। শিক্ষার্থী কী করতে পারছে? কোথায় সমস্যা হচ্ছে? কী ধরনের support দিলে তার performance পরিবর্তিত হচ্ছে? feedback দেওয়ার পর উন্নতি হচ্ছে কি না? এই ধরনের প্রশ্ন শিক্ষককে আরও objective সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও formative assessment ব্যবহার করা যেতে পারে। Final examination-এর আগে শিক্ষক ছোট ছোট assessment-এর মাধ্যমে বুঝতে পারেন শিক্ষার্থীরা কোথায় আছে। ক্লাসের শেষে একটি exit ticket হতে পারে—

“আজ আমি যা শিখেছি: ___”

“যে বিষয়টি এখনও পরিষ্কার নয়: ___”

“একটি example: ___”

এতে শিক্ষক পরবর্তী lesson-এর পরিকল্পনাও আরও বাস্তবভিত্তিক করতে পারেন।

Feedback-এর বিষয়টিও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। “Good”, “Excellent”, “Wrong”—এই শব্দগুলো অনেক সময় শিক্ষার্থীকে খুব বেশি তথ্য দেয় না। একজন শিক্ষার্থীকে যদি বলা হয়, “তোমার main idea পরিষ্কার। এবার একটি relevant example যোগ করলে উত্তরটি আরও শক্তিশালী হবে,” তাহলে সে জানে পরবর্তীবার কী উন্নতি করতে হবে। একইভাবে “তোমার tense ভুল” বলার পরিবর্তে “Subject অনুযায়ী verb-এর form আবার দেখো”—এ ধরনের নির্দিষ্ট feedback বেশি কার্যকর হতে পারে।

একজন শিক্ষককে নিজের teaching নিয়েও নিয়মিত reflection করতে হবে। সপ্তাহে একবার কয়েক মিনিট সময় নিয়ে তিনি নিজেকে তিনটি প্রশ্ন করতে পারেন—কী ভালো হয়েছে? কোথায় শিক্ষার্থীরা আটকে গেছে? পরের ক্লাসে আমি কী পরিবর্তন করব? Professional development শুধু workshop বা training-এ অংশ নেওয়ার মাধ্যমে হয় না। নিজের classroom থেকে নিয়মিত শেখাও একজন শিক্ষকের পেশাগত উন্নতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

এই পুরো আলোচনায় একটি বিষয় সবচেয়ে বেশি মনে রাখা দরকার—শিক্ষার্থীদের বৈচিত্র্যকে সম্মান করার অর্থ প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য প্রতিদিন সম্পূর্ণ আলাদা lesson তৈরি করা নয়। একজন শিক্ষক এতটা সময় বা সুযোগ অনেক সময় পাবেনও না। বরং লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি classroom তৈরি করা যেখানে শেখার একাধিক meaningful opportunity থাকবে, প্রয়োজন অনুযায়ী support থাকবে এবং শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি evidence-এর ভিত্তিতে বোঝার চেষ্টা করা হবে।

শিক্ষকদের জন্য একটি সহজ ব্যবহারিক checklist

প্রতিটি lesson-এর আগে বা পরে শিক্ষক চাইলে নিজেকে কয়েকটি প্রশ্ন করতে পারেন:

  • আজকের learning objective কি পরিষ্কার?
  • আমি কি শুধু lecture-এর ওপর নির্ভর করছি?
  • শিক্ষার্থীরা কি নিজেরা কথা বলবে, লিখবে বা কোনো কাজ করবে?
  • struggling learners-এর জন্য কি প্রয়োজনীয় support আছে?
  • যারা দ্রুত কাজ শেষ করবে, তাদের জন্য কি extension task আছে?
  • প্রশ্ন করার পর কি কিছু thinking time দিচ্ছি?
  • pair বা group work-এর উদ্দেশ্য কি পরিষ্কার?
  • assessment কি learning objective-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ?
  • শিক্ষার্থীরা আসলে কী শিখেছে তা বোঝার কোনো সুযোগ কি রেখেছি?
  • lesson শেষে আমি কী পরিবর্তন করলে পরের ক্লাস আরও ভালো হতে পারে?

এই checklist-এর প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর প্রতিদিন “হ্যাঁ” হতে হবে—এমন কোনো কথা নেই। বরং এগুলো শিক্ষককে নিজের teaching practice নিয়ে ভাবতে সাহায্য করবে। কখনো একটি ভালো lesson হতে পারে খুব simple; আবার কোনো বিশেষ lesson-এ আরও বেশি activity প্রয়োজন হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ হলো, সিদ্ধান্তটি যেন সচেতনভাবে নেওয়া হয়।

পরিশেষে বলব, শিক্ষার্থীরা কীভাবে শেখে—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমাদের সবচেয়ে বড় ভুল হতে পারে শিক্ষার্থীদের কয়েকটি সহজ category-তে ভাগ করে ফেলা। “সে visual learner”, “সে auditory learner”—এভাবে label দিয়ে দিলে বিষয়টি হয়তো সহজ মনে হয়, কিন্তু একজন শিক্ষার্থীর শেখার জটিলতাকে সেটি পুরোপুরি ব্যাখ্যা করতে পারে না। একজন শিক্ষার্থী বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বিভিন্নভাবে শিখতে পারে। তার পছন্দ, পূর্বজ্ঞান, motivation, confidence এবং task-এর প্রকৃতি—সবকিছু তার performance-এ প্রভাব ফেলতে পারে।

আমার কাছে learning diversity বোঝার আসল উদ্দেশ্য কোনো জটিল terminology মুখস্থ করা নয়। এর উদ্দেশ্য হলো শিক্ষককে আরও সচেতন ও সংবেদনশীল করে তোলা। যে শিক্ষার্থী grammar exercise-এ বারবার ভুল করছে, সে হয়তো অলস নয়; হয়তো তার আরও উদাহরণ, guided practice বা feedback প্রয়োজন। যে শিক্ষার্থী ক্লাসে খুব বেশি কথা বলে না, সে হয়তো অন্য কোনো কাজের মাধ্যমে তার দক্ষতা ভালোভাবে প্রকাশ করতে পারে। যে শিক্ষার্থী প্রথমবার কোনো task-এ ব্যর্থ হয়েছে, তার অর্থ এই নয় যে সে শিখতে পারবে না। হয়তো তাকে আরও কিছু সময়, আরও পরিষ্কার instruction অথবা আরও উপযুক্ত practice-এর সুযোগ দিতে হবে।

একজন শিক্ষক যখন শিক্ষার্থীদের এই বৈচিত্র্যকে গুরুত্ব দিয়ে lesson plan করেন, তখন তিনি শুধু “কী পড়াবেন” তা ভাবেন না; তিনি ভাবেন “কীভাবে শিক্ষার্থীরা শিখবে” এবং “কীভাবে আমি বুঝব যে তারা শিখেছে।” এই পরিবর্তনটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ teaching-এর সফলতা শুধু শিক্ষক কত সুন্দরভাবে বুঝিয়েছেন তার ওপর নির্ভর করে না; শিক্ষার্থীরা কতটা বুঝেছে, প্রয়োগ করেছে এবং শেখার পরবর্তী ধাপে যেতে পেরেছে—সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তাই ভালো শ্রেণিকক্ষ এমন কোনো জায়গা নয় যেখানে সবাই একইভাবে বসে, একইভাবে শোনে, একইভাবে লিখে এবং শেষে একই ধরনের পরীক্ষায় অংশ নেয়। ভালো শ্রেণিকক্ষ হলো এমন একটি জায়গা যেখানে learning objective পরিষ্কার, শিক্ষক পরিকল্পিত, শিক্ষার্থীরা সক্রিয় এবং শেখার জন্য একাধিক meaningful opportunity থাকে। সেখানে কখনো শিক্ষক ব্যাখ্যা করবেন, কখনো শিক্ষার্থীরা আলোচনা করবে; কখনো তারা পড়বে, কখনো লিখবে; কখনো ছবি বা বাস্তব উদাহরণ ব্যবহার করবে, কখনো role-play বা project করবে। তবে সবকিছুর কেন্দ্রে থাকবে একটি প্রশ্ন—এই কাজটি কি শিক্ষার্থীকে আরও ভালোভাবে শেখার দিকে নিয়ে যাচ্ছে?

শেষ পর্যন্ত একজন শিক্ষকের সবচেয়ে বড় কাজ হয়তো সবাইকে একইভাবে শেখানো নয়। বরং এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষার্থী তাদের বর্তমান অবস্থান থেকে শেখার পরবর্তী ধাপে যেতে পারে। কেউ দ্রুত এগোবে, কেউ একটু ধীরে; কেউ কথা বলে নিজের চিন্তা প্রকাশ করবে, কেউ লিখে; কেউ প্রথমে জোড়ায় practice করে পরে সবার সামনে আসবে। শিক্ষক তাদের প্রত্যেকের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবেন, কিন্তু তাদের হয়ে পথ চলবেন না।

আমার বিশ্বাস, এখানেই একজন কার্যকর শিক্ষকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তিনি শুধু তথ্যের সরবরাহকারী নন; তিনি learning environment-এর designer। তিনি জানেন যে শিক্ষার্থীরা একরকম নয়, কিন্তু একই সঙ্গে তিনি এটাও জানেন যে কোনো শিক্ষার্থীকে একটি স্থায়ী label-এর মধ্যে আটকে রাখা উচিত নয়। তিনি বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করেন, প্রয়োজন অনুযায়ী support দেন, evidence দেখে সিদ্ধান্ত নেন এবং assessment-এর ফল দেখে নিজের teaching-এ পরিবর্তন আনেন।

শ্রেণিকক্ষ তখন এমন একটি জায়গায় পরিণত হয় যেখানে দেখা, শোনা, পড়া-লেখা, বলা, আলোচনা এবং হাতে-কলমে কাজ—সবকিছুরই প্রয়োজন অনুযায়ী জায়গা থাকে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শিক্ষার্থী বুঝতে পারে যে শিক্ষক শুধু তাকে পরীক্ষা করার জন্য নয়, তাকে শেখার জন্যও সাহায্য করছেন।একজন শিক্ষকের জন্য এর চেয়ে meaningful achievement আর কী হতে পারে?

মুহাম্মদ আলী

প্রভাষক, ইংরেজি বিভাগ, ড. আব্দুল মজিদ তালুকদার ডিগ্রি কলেজ, জামালপুর সদর, জামালপুর

Email: muhammedalieng@gmail.com

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies