নতুন বেতন কাঠামোয় সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে মূল বেতনের অংশ হিসেবে বাড়িভাড়ার হার কমবে। পাশাপাশি উচ্চ গ্রেডের চাকরিজীবীদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বা বেতন বৃদ্ধির হারও কমানোর প্রস্তাব রয়েছে। তবে চিকিৎসা, যাতায়াত, টিফিনসহ অধিকাংশ ভাতা বাড়বে। এসব ভাতা ২০২৮ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
নতুন কাঠামোয় প্রথমবারের মতো সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে মোবাইল ফোন ভাতার আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে প্রথম থেকে তৃতীয় গ্রেডের কর্মকর্তারা মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং চতুর্থ ও পঞ্চম গ্রেডের কর্মকর্তারা ১ হাজার টাকা মোবাইল বিল পান। অন্য গ্রেডের চাকরিজীবীরা এ সুবিধা পান না।
প্রস্তাবিত কাঠামোয় প্রথম থেকে পঞ্চম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মোবাইল ভাতা কমিয়ে মাসে ৫০০ টাকা করা হবে। আর ষষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মাসে ১৫০ টাকা করে মোবাইল ভাতা পাবেন।
জীবনযাত্রার ব্যয় ও পরিবহণ খরচ বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে যাতায়াত, টিফিন ও ধোলাই ভাতাও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। মাসিক যাতায়াত ভাতা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা, টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা এবং ধোলাই ভাতা ১০০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।
অন্যদিকে, বাংলা নববর্ষ ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
দুর্গম পার্বত্য এলাকায় কর্মরতদের পাহাড়ি ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশই বহাল রাখার প্রস্তাব রয়েছে। তবে পার্বত্য জেলা ও উপজেলা সদরের জন্য সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা এবং সদরের বাইরের এলাকার জন্য ৫ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
হাওর, দ্বীপ ও চর ভাতাও মূল বেতনের ২০ শতাংশ বহাল রেখে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।

