এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গঠনমূলক পরিবেশের জন্য বড় অন্তরায় বলে মনে করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার দাবি জানানো হলেও এ বিষয়ে কমিশন নেতিবাচক অবস্থান স্পষ্ট করেছে।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এ অবস্থানের কথা জানান।তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষার সার্বিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এতে শিক্ষকদের নিরপেক্ষতা মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশও ব্যাহত হতে পারে। শিক্ষাঙ্গনে গঠনমূলক ও নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় রাখতে এ অবস্থান থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।এদিকে, নির্বাচন কমিশনের ওপর সরকারি চাপ রয়েছে—জামায়াতে ইসলামীর এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের চাপে রয়েছে—এমন ভিত্তিহীন দাবি তোলা মূলত কমিশনকে উল্টো চাপে রাখার একটি রাজনৈতিক কৌশল।আসন্ন নির্বাচনগুলোর প্রস্তুতি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার জানান, উপনির্বাচনে ভোটারদের ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে আইটি-সমর্থিত পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা চালুর জন্য বড় ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারচুপি ও অনিয়ম রোধে সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বডি-ওর্ন ক্যামেরার সংখ্যা বহুগুণ বাড়ানো হবে। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় ড্রোন প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হবে।নির্বাচন কমিশনার বলেন, পর্যাপ্তসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন এবং ভোটকেন্দ্রগুলোর অবকাঠামোগত সমস্যা দূর করার মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশন বদ্ধপরিকর।
জামায়াতের দাবি নাকচ, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে ইসির ‘না’
React:




