Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
জাতীয়

আমদানি বাড়লেও মিলছে না এলপিজি, বাড়ছে ভোগান্তি

আমদানি বাড়লেও মিলছে না এলপিজি, বাড়ছে ভোগান্তি

দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সংকট ক্রমেই বাড়ছে। চাহিদার তুলনায় বেশি আমদানির পরও বাজারে সিলিন্ডারের ঘাটতি এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সংকটের প্রকৃত কারণ ও বাজার পরিস্থিতি জানতে জেলা প্রশাসকদের কাছে জরুরি তথ্য চেয়ে ১৩ দিনেও প্রতিবেদন পায়নি জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। এর মধ্যে আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রিসহ সব ধরনের সেবা বন্ধ রাখার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এতে ভোক্তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এলপিজি সংকটের কারণ, বাজার পরিস্থিতি, আমদানি ও সরবরাহের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিয়ে এক প্রতিবেদনে আমার দেশ জানায়, চাহিদার তুলনায় বেশি এলপিজি আমদানি করা হলেও বাজারে সংকট কাটছে না। সরকার নির্ধারিত ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা হলেও কোথাও কোথাও ২ হাজার ৫০০ টাকা দিয়েও তা পাওয়া যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে বাজার নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কার্যকারিতা ও আইন প্রয়োগের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটর ও খুচরা ব্যবসায়ীদের একটি অংশ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রি করছে। অন্যদিকে বিইআরসির বক্তব্য, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে তারা নির্দেশনা দিতে পারে, কিন্তু তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। এ খাতের বিশেষজ্ঞরা সংকট মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতিকে দায়ী করছেন।

তাদের মতে, এলপিজি এখন সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য জ্বালানি। অথচ এ খাতের আমদানি, সরবরাহ, মূল্য নির্ধারণ ও বাজার তদারকিতে কার্যকর সমন্বিত উদ্যোগের অভাব রয়েছে। জ্বালানি খাতে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণও সংকটকে জটিল করে তুলেছে বলে মনে করেন তারা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জ্বালানি খাতে জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরামর্শও দিয়েছেন কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ।

জ্বালানি বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এলপিজি আমদানিকারকদের সঙ্গে সরকার একাধিকবার বৈঠক করেছে। প্রতিবারই ব্যবসায়ীরা দেশে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার কথা জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটর ও খুচরা ব্যবসায়ীদের একটি অংশ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, পরিস্থিতি যাচাই করতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি ও বিদ্যুৎ বিভাগ জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে নিজ নিজ জেলার এলপিজি সরবরাহ ও বাজারমূল্য পরিস্থিতি নিয়ে নির্ধারিত ছকে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। জেলা প্রশাসনের বাজার তদারক কার্যক্রমের তথ্যও চাওয়া হয়েছিল। তবে একাধিকবার তাগাদা দেওয়ার পরও মাঠপর্যায়ের তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, জ্বালানি পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে তিনি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। এলপিজি সংকটসহ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সমস্যাগুলো সমাধানে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত দামে মিলছে না সিলিন্ডার

এলপিজির দাম বারবার বাড়ানো এবং বাজারে নিয়ন্ত্রণহীন পরিস্থিতির জন্য বিইআরসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। তবে কমিশনের কর্মকর্তাদের বক্তব্য, দাম সমন্বয় করেও বাজার নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। আমদানিকারক ও সরবরাহকারীদের প্রস্তাবের ভিত্তিতেই গত আট মাসে এলপিজির দাম প্রায় ৩৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।

বিইআরসির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ছিল ১১৩ টাকা। সে সময় ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত ছিল ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। গত ৪ অক্টোবর প্রতি কেজির দাম ১৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এতে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৩৭ টাকা।

নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি দণ্ডনীয় অপরাধ বলে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছে বিইআরসি। একই সঙ্গে বাজার তদারকি জোরদার করে কালোবাজারি, মজুতদারি ও অতিরিক্ত মুনাফার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এসব নির্দেশনার পরও বাজার পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি বলে অভিযোগ ভোক্তাদের।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকদের অভিযোগ, খুচরা বিক্রেতাদের অগ্রিম টাকা দিয়েও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। আবার কোথাও অতিরিক্ত অর্থ দিতে পারলেই মিলছে গ্যাস।

রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকার বাসিন্দা আরমান হোসেন বলেন, এলাকায় পাইপলাইনের গ্যাস না থাকায় রান্নার জন্য এলপিজিই তাঁর একমাত্র ভরসা। সিলিন্ডারের গ্যাস শেষ হয়ে যাওয়ার পর কয়েকটি দোকানে খুঁজেও তা পাননি। তিন দিন চেষ্টা করে অতিরিক্ত ৬০০ টাকা দিয়ে একটি সিলিন্ডার কিনতে হয়েছে তাঁকে। এখন প্রয়োজনের তুলনায় রান্না কমিয়ে একবেলার রান্না দুই বেলা খাচ্ছেন। তারপরও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

যাত্রাবাড়ী এলাকার লোকমান হোসেন বলেন, এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে এখন দোকানদার যে দাম চান, তা-ই দিতে হচ্ছে। অতিরিক্ত টাকা না দিলে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।

১৫ ও ১৬ অক্টোবর দোকান বন্ধের হুঁশিয়ারি

এলপিজি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, তথ্য চাওয়া ও তল্লাশির নামে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। এর প্রতিবাদে আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারা দেশে সিলিন্ডার বিক্রিসহ সব ধরনের সেবা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি।

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি সেলিম খান বলেন, সিলিন্ডারের দাম ও সরবরাহ নিয়ে ব্যবসায়ীরা বারবার হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এর প্রতিবাদে বৃহস্পতি ও শুক্রবার দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাসিরুদ্দিন নাসিম অভিযোগ করেন, মাত্র পাঁচটি কোম্পানির হাতে এলপিজি সিলিন্ডারের বিপণনব্যবস্থা জিম্মি হয়ে আছে। এসব কোম্পানির মাধ্যমে একতরফাভাবে দাম বাড়ানো হচ্ছে। এতে সাধারণ ভোক্তাদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

ব্যবসায়ীদের দাবির মধ্যে রয়েছে, সিলিন্ডারপ্রতি কমিশন ১৫০ টাকা অথবা বিক্রয়মূল্যের ৭ শতাংশ নির্ধারণ, কোনো কোম্পানি এক মাসে একাধিকবার দাম সমন্বয় করতে চাইলে বিইআরসির ঘোষণার মাধ্যমে তা করা, দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সরবরাহে অক্ষম কোম্পানির সিলিন্ডার সরকার বা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির মাধ্যমে পুনরায় গ্যাস ভরার ব্যবস্থা করা এবং কোম্পানির চালানে প্রকৃত দাম উল্লেখ করা।

এ ছাড়া কোম্পানির পক্ষ থেকে ন্যায্য পরিবহনভাড়া দেওয়া, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও গ্যাসবাহী পিকআপ ও ট্রাকের বিরুদ্ধে পুলিশের হয়রানি ও মামলা বন্ধ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে জরিমানা আরোপ বন্ধের দাবিও জানিয়েছেন তারা।

চাহিদার তুলনায় বেশি আমদানি

বিইআরসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন এলপিজির চাহিদা রয়েছে। এর ৮০ শতাংশ রান্নার কাজে, ১২ শতাংশ শিল্পে এবং ৮ শতাংশ যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে অটোগ্যাসে ব্যবহৃত হয়। দেশের এলপিজি বাজারের প্রায় ৯৮ শতাংশ বেসরকারি উদ্যোক্তাদের নিয়ন্ত্রণে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টে দেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ টন এলপিজি আমদানি করা হয়। সেপ্টেম্বরে আমদানির পরিমাণ দেড় লাখ টনের বেশি ছিল। দেশে ২৯টি এলপিজি কোম্পানি চালু থাকলেও সেপ্টেম্বরে আমদানি করেছে মাত্র ১০টি কোম্পানি। জ্বালানি বিভাগের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাত্র চারটি কোম্পানি দেশের মোট এলপিজি বাজারের ৬৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে।

আমদানিকারক ও সরবরাহকারীরা অবশ্য দেশে পর্যাপ্ত এলপিজি থাকার দাবি করছেন। গত ৩ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ও বাণিজ্যমন্ত্রী আবদুল মোক্তাদির বাংলাদেশ এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের (লোয়াব) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে ব্যবসায়ী নেতারা দেশে পর্যাপ্ত এলপিজি থাকার কথা জানিয়ে সরবরাহে সংকট নেই বলে দাবি করেন। আমদানি ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারও সহযোগিতার আশ্বাস দেয়।

জ্বালানিমন্ত্রী জানান, দেশে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার দাবি করা হলেও কেন ঘাটতি ও অতিরিক্ত দামের অভিযোগ উঠছে, তা খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসকদের তথ্য ও প্রমাণসহ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো এলাকায় সরবরাহ কম থাকলে সেখানে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আইন প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম শামসুল আলমের মতে, বিইআরসির দুর্বল ভূমিকার কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা ভোক্তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুযোগ পাচ্ছেন। তিনি বলেন, ২০২১ সালের আগে ব্যবসায়ীরা নিজেদের ইচ্ছামতো দামে এলপিজি বিক্রি করতেন। আদালতের আদেশে দাম নির্ধারণের ক্ষমতা পাওয়ার পর বিইআরসি আশপাশের দেশগুলোর তুলনায় বেশি দাম নির্ধারণ করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। কিন্তু নির্ধারিত দাম কার্যকর করতে সংস্থাটি ব্যর্থ হচ্ছে।

অধ্যাপক শামসুল আলমের ভাষ্য, বাজার নিয়ন্ত্রণে বিইআরসিকে আইনগত ক্ষমতা দেওয়া হলেও তার কার্যকর প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে না। ফলে মূল্য নির্ধারণের পরও ভোক্তারা সিলিন্ডার কিনতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

চাহিদার তুলনায় বেশি আমদানি, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার দাবি এবং বাজারে সিলিন্ডারের ঘাটতি ও অতিরিক্ত দামের অভিযোগের মধ্যে এলপিজি সংকটের প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে মাঠপর্যায়ের তথ্য না পাওয়ায় সংকটের ব্যাপ্তি ও কারণ নির্ধারণও কঠিন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ব্যবসায়ীদের দোকান বন্ধের কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে রান্নার জ্বালানি নিয়ে ভোক্তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies