Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
অন্যান্য

অবশেষে দাবি মেনে নিল অধিদপ্তর, আন্দোলন প্রত্যাহার জামালপুর নার্সিং শিক্ষার্থীদের

অবশেষে দাবি মেনে নিল অধিদপ্তর, আন্দোলন প্রত্যাহার জামালপুর নার্সিং শিক্ষার্থীদের

Oplus_131072

জেলা প্রতিনিধি, জামালপুরঃ

টানা ১৩ দিনের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ও আমরণ অনশনের মুখে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়েছে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর। আলোচিত ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ মাকসুদা ইয়াসমিনকে তার আগের কর্মস্থল শেরপুর সদর হাসপাতালে ফেরত পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের নতুন ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রঞ্জনা থিগিদিকে। এ সিদ্ধান্তের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করেছেন শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের মিলনায়তনে নতুন ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ রঞ্জনা থিগিদিকে সংবর্ধনা দেন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে, সোমবার সকালে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। পরে দুপুর ১২টার দিকে কমপ্লিট শাটডাউন ও আমরণ অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

জানা গেছে, গত ১২ অক্টোবর শেরপুর নার্সিং কলেজের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ মাকসুদা ইয়াসমিনকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে পদায়ন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে অধিদপ্তর। এরপর থেকেই তার পদায়ন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, ক্লাস বর্জন ও কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায় না হওয়ায় একপর্যায়ে কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেন তারা।

সর্বশেষ রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত ৮টা থেকে আমরণ অনশন শুরু করেন কলেজের তিন শিক্ষার্থী ইফাজ মাহি, মুকছেদুল ইসলাম ও ফরহাদ তামিম। এতে আন্দোলন আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

এরপর সোমবার সকালে অধিদপ্তর থেকে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে মাকসুদা ইয়াসমিনকে তার মূল কর্মস্থল শেরপুর সদর হাসপাতালে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের ইন্সট্রাক্টর রঞ্জনা থিগিদিকে ইনচার্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়। অধিদপ্তরের এ সিদ্ধান্তের পর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন প্রত্যাহার করেন।

আরেক শিক্ষার্থী লাভলু শেখ বলেন, দীর্ঘদিন আন্দোলনের পর অবশেষে আমাদের দাবি মেনে নেওয়ায় আমরা খুবই খুশি। বিশেষ করে সাংবাদিক ভাইদের ধন্যবাদ জানাই। আপনারা আমাদের দাবিগুলো গণমাধ্যমে তুলে ধরেছেন। এ জন্য আপনাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।

আমরণ অনশনে থাকা শিক্ষার্থী মুকছেদুল ইসলাম বলেন, মাকসুদা ইয়াসমিনকে শেরপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা এক মাস আন্দোলনের পর পদত্যাগে বাধ্য করেছিলেন। এরপর তাকে আমাদের কলেজে বদলি করা হয়। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। আমরা এমন একজনকে মেনে নিতে চাইনি। তাই তার পদায়ন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করেছি। অবশেষে আমাদের দাবি পূরণ হয়েছে। আমরা আন্দোলনে সফল হয়েছি।

নতুন দায়িত্ব পাওয়া ইনচার্জ রঞ্জনা থিগিদি বলেন, আমাকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের ইনচার্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে আমি অনেক খুশি। আমি যতদিন এ কলেজে থাকব, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করব।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies