
নতুন জামালপুর ডেস্ক: নিজের ভাষায় প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ বাড়লে সরকারি সেবা, শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি ও কর্মসংস্থানে তৈরি হতে পারে নতুন দিগন্ত। বাংলা ভাষাভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সেই পরিবর্তনের পথ খুলছে। তবে সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রয়োজন নির্ভুল তথ্য, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও মানুষের আস্থা।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দুনিয়ায় ভাষা এখন আর শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, প্রযুক্তিতে মানুষের প্রবেশাধিকারেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের এআই সেবা দ্রুত বিস্তৃত হলেও ইংরেজিতে দক্ষ নন, এমন অনেক মানুষের কাছে এসব প্রযুক্তির ব্যবহার এখনো সহজ নয়। বাংলাদেশের মতো বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর দেশে এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে পারে বাংলাভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
কল্পনা করা যাক, গ্রামের একজন কৃষক স্মার্টফোনে নিজের ভাষায় প্রশ্ন করলেন, ধানের পাতায় এমন দাগ কেন হচ্ছে? একজন শিক্ষার্থী কঠিন কোনো বিষয় বুঝতে না পেরে বাংলায় ব্যাখ্যা চাইলেন। কোনো নাগরিক সরকারি দপ্তরে না গিয়ে জানতে পারলেন, একটি সেবা পেতে কী কী কাগজপত্র লাগবে এবং আবেদন করতে হবে কীভাবে। এসব কাজে বাংলা ভাষা বুঝতে ও ব্যবহার করতে পারে এমন এআই সহায়ক হয়ে উঠতে পারে।
এটি কেবল ভবিষ্যতের কল্পনা নয়। বাংলা ভাষার ডিজিটাল সক্ষমতা বাড়াতে দেশে ইতিমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের ‘তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ’ বা ইবিএলআইসিটি প্রকল্পের আওতায় বাংলা লেখা শনাক্তকরণ, কথাকে লেখায় রূপান্তর, লিখিত লেখা পড়ে শোনানো এবং বানান-ব্যাকরণ পরীক্ষার মতো প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছে।
বাংলা ভাষায় প্রযুক্তি, সেবার নতুন দুয়ার
বাংলাভিত্তিক এআইয়ের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা হলো প্রযুক্তিকে মানুষের আরও কাছে নিয়ে আসা। এত দিন ডিজিটাল সেবা ব্যবহারে ভাষা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান কিংবা জটিল নির্দেশনা বোঝার অসুবিধা অনেকের জন্য বাধা হয়ে থেকেছে। বাংলা ভাষায় প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া গেলে সেই বাধা অনেকটাই কমতে পারে।
সরকারি সেবার ক্ষেত্রেই এর বড় প্রয়োগ সম্ভব। নাগরিকেরা এআই সহকারীর মাধ্যমে আবেদনপদ্ধতি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, সেবার ধাপ কিংবা সংশ্লিষ্ট দপ্তর সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য পেতে পারেন। বাংলাদেশের জাতীয় এআই নীতির ২০২৬-২০৩০ খসড়াতেও বাংলায় চ্যাটবটের মাধ্যমে সরকারি সেবার তথ্য, ফরম পূরণ ও নাগরিকদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো ব্যবহারের কথা তুলে ধরা হয়েছে। তবে নীতিতে প্রস্তাব থাকা মানেই এসব সেবা সর্বত্র চালু হয়ে গেছে, এমন নয়।
এ ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর হলে সরকারি দপ্তরে একই প্রশ্নের উত্তর দিতে কর্মকর্তাদের যে সময় ব্যয় হয়, তা কমতে পারে। নাগরিকও ঘরে বসে প্রাথমিক তথ্য পেতে পারেন। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে একটি সাধারণ তথ্য সংগ্রহ করতেও কখনো দূরের কোনো কার্যালয়ে যেতে হয়।
তবে এআইয়ের দেওয়া তথ্য যেন হালনাগাদ, নির্ভুল ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত হয়, তা নিশ্চিত করা জরুরি। ভুল তথ্যের ভিত্তিতে আবেদন করলে নাগরিকের সময় ও অর্থ দুটোই নষ্ট হতে পারে।
দাপ্তরিক কাজ থেকে সংবাদপত্র, বদল আসতে পারে সর্বত্র
বাংলা ভাষাভিত্তিক এআইয়ের ব্যবহার কেবল প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। লেখালেখি, তথ্য অনুসন্ধান, নথি ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘ লেখা থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য বের করার কাজেও এটি সহায়ক হতে পারে।
বাংলাদেশে চালু হওয়া ‘কাগজ ডট এআই’ (Kagoj.ai) এ ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্ল্যাটফর্মটিতে বাংলা ভাষার অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন (ওসিআর), স্পিচ-টু-টেক্সট, টেক্সট-টু-স্পিচ এবং বানান পরীক্ষার সুবিধা রয়েছে। অন্যদিকে, ‘বর্ণ ওসিআর’ ছবি ও পিডিএফের লেখা সম্পাদনাযোগ্য টেক্সটে রূপান্তর করতে পারে।
এর ফলে পুরোনো বই, পত্রিকার আর্কাইভ, সরকারি নথি কিংবা ঐতিহাসিক দলিল ডিজিটাল করার কাজ সহজ হতে পারে। আগে কোনো পুরোনো পত্রিকার পাতায় একটি নির্দিষ্ট সংবাদ খুঁজতে হলে একের পর এক পাতা দেখতে হতো। নথিগুলো নির্ভুলভাবে ডিজিটাইজ করা গেলে ভবিষ্যতে শব্দ বা বিষয় ধরে তথ্য অনুসন্ধানের সুযোগ তৈরি হবে।
সংবাদপত্রের কাজেও বাংলা এআই নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। সাক্ষাৎকারের অডিও থেকে লেখা তৈরি, দীর্ঘ প্রতিবেদনের সারাংশ প্রস্তুত, বানান ও ভাষাগত অসংগতি শনাক্ত এবং পুরোনো সংবাদ আর্কাইভ থেকে তথ্য খুঁজে বের করার মতো কাজে এ প্রযুক্তি সময় বাঁচাতে পারে। তবে প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই, উদ্ধৃতির যথার্থতা এবং সম্পাদনার দায়িত্ব সাংবাদিকেরই থাকবে।
শিক্ষা ও কৃষিতে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত
বাংলাভিত্তিক এআইয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র শিক্ষা। শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের কঠিন বিষয় সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করে নিতে পারে, অনুশীলনী তৈরি করতে পারে এবং নিজের বোঝার ঘাটতি অনুযায়ী প্রশ্ন করতে পারে। শিক্ষকও পাঠ পরিকল্পনা, প্রশ্নপত্রের খসড়া কিংবা শিক্ষাসামগ্রী তৈরিতে এআইয়ের সহায়তা নিতে পারেন।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে। এআইয়ের তৈরি উত্তর সব সময় সঠিক নাও হতে পারে। পাঠ্যবই, নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং শিক্ষকের নির্দেশনার সঙ্গে মিলিয়ে তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। এআই যেন শিক্ষার্থীর চিন্তা ও শেখার বিকল্প না হয়ে শেখার সহায়ক হয়, সেটিই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।
কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের জন্যও এই প্রযুক্তির বাস্তব উপযোগিতা রয়েছে। কৃষক নিজের ভাষায় প্রশ্ন করে আবহাওয়া, রোগবালাই, সার ব্যবস্থাপনা কিংবা কৃষি দপ্তরের সেবা সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য পেতে পারেন। ভবিষ্যতে স্থানীয় ফসল, মাটির ধরন, রোগবালাই এবং কৃষি গবেষণার নির্ভরযোগ্য তথ্যের সঙ্গে বাংলা এআই যুক্ত করা গেলে কৃষকের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করতে পারে।
একইভাবে স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার প্রস্তুতি, স্বাস্থ্যবিষয়ক নির্ভরযোগ্য তথ্য বোঝা কিংবা নিকটবর্তী সেবা সম্পর্কে জানার কাজে এআই সহায়ক হতে পারে। তবে রোগ নির্ণয়, ওষুধ নির্ধারণ কিংবা জরুরি চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে এআইকে ব্যবহার করা উচিত নয়।
শুধু বাংলা বুঝলেই হবে না, বুঝতে হবে বাংলার বৈচিত্র্য
বাংলা ভাষায় এআই তৈরি করার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ভাষার বৈচিত্র্য। বাংলাদেশে অঞ্চলভেদে উচ্চারণ, শব্দের ব্যবহার ও কথ্যরীতিতে পার্থক্য রয়েছে। জামালপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, চট্টগ্রাম কিংবা বরিশালের মানুষের কথ্য ভাষা এক নয়। অনেকেই বাংলা ও ইংরেজি মিলিয়ে কথা বলেন, আবার অনেকে বাংলা শব্দ রোমান হরফে লেখেন।
একটি এআই ব্যবস্থা যদি কেবল প্রমিত লিখিত বাংলা ভালোভাবে বুঝতে পারে, তাহলে দেশের সব মানুষের কাছে তা সমানভাবে কার্যকর হবে না। আঞ্চলিক ভাষা, কথ্য শব্দ, স্থানীয় নাম এবং দৈনন্দিন কথোপকথনের যথেষ্ট তথ্য দিয়ে প্রযুক্তিকে প্রশিক্ষিত করতে হবে।
বাংলা ভাষার এআই নিয়ে ২০২৬ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণা পর্যালোচনায়ও তথ্যের ঘাটতি, বানানের অসংগতি, আঞ্চলিক ভাষার পার্থক্য এবং বাস্তব পরিবেশে প্রযুক্তি যাচাইয়ের সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরা হয়েছে। অর্থাৎ প্রযুক্তির অগ্রগতি হলেও বাংলা ভাষাকে নির্ভরযোগ্যভাবে বোঝার কাজ এখনো সম্পূর্ণ হয়নি।
এখানে বাংলাদেশের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকতে পারে। আঞ্চলিক শব্দভান্ডার, লোকজ জ্ঞান, কৃষকের অভিজ্ঞতা, স্থানীয় ইতিহাস এবং কথ্য ভাষার তথ্য যথাযথ অনুমতি ও গোপনীয়তা রক্ষা করে ডিজিটাল সংগ্রহে যুক্ত করা গেলে বাংলা এআই আরও সমৃদ্ধ হতে পারে। পাশাপাশি চাকমা, মারমা, গারোসহ দেশের অন্যান্য ভাষার ডিজিটাল উপস্থিতি বাড়ানোও জরুরি।
নিজস্ব এআই অবকাঠামো: সম্ভাবনা ও বাস্তবতা
বাংলাদেশে বাংলা ভাষার প্রযুক্তি উন্নয়নের পাশাপাশি নিজস্ব এআই অবকাঠামো তৈরির বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। গত ৯ অক্টোবর প্রকাশিত দ্য ডেইলি স্টার-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ আগামী ১২ মাসের মধ্যে নিজস্ব এআই অবকাঠামো চালুর পরিকল্পনা করছে। এতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্টার্টআপ, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের যুক্ত করার কথা জানানো হয়।
এ ধরনের অবকাঠামো তৈরি হলে স্থানীয় গবেষক ও উদ্যোক্তারা বাংলা ভাষার মডেল এবং দেশীয় প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন এআই সেবা তৈরির সুযোগ পেতে পারেন। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইনগত তথ্য, স্থানীয় সরকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য বিশেষায়িত সেবা তৈরির পথও বিস্তৃত হতে পারে।
তবে নিজস্ব অবকাঠামো গড়ে তোলাই যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন দক্ষ জনবল, মানসম্মত তথ্যভান্ডার, নির্ভরযোগ্য কম্পিউটিং সুবিধা, দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন এবং কার্যকর তথ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা। একই সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যয় যেন সাধারণ মানুষ ও ছোট উদ্যোক্তাদের নাগালের বাইরে না চলে যায়, সেদিকেও নজর দিতে হবে।
ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা হবে বড় পরীক্ষা
বাংলা এআই যত বেশি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে যুক্ত হবে, ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার প্রশ্নও তত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। নাগরিকের পরিচয়পত্র, চিকিৎসার নথি, আর্থিক তথ্য কিংবা সরকারি আবেদনসংক্রান্ত তথ্য কোনো এআই ব্যবস্থায় ব্যবহারের আগে জানতে হবে, সেগুলো কীভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং কারা ব্যবহার করতে পারছে।
এআইয়ের উত্তর বিশ্বাস করার ক্ষেত্রেও সতর্কতা জরুরি। প্রযুক্তি কখনো ভুল তথ্য আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উপস্থাপন করতে পারে। আবার ভুয়া ছবি, কণ্ঠস্বর কিংবা বার্তা তৈরি করেও মানুষকে প্রতারিত করা সম্ভব। তাই প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি ডিজিটাল সাক্ষরতা, তথ্য যাচাই এবং সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।
প্রযুক্তির ভাষা হোক মানুষের ভাষা
বাংলা ভাষাভিত্তিক এআইয়ের সাফল্য শুধু কতগুলো সফটওয়্যার তৈরি হলো, কিংবা কত দ্রুত একটি প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেল, তা দিয়ে বিচার করা যাবে না। এর প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে একজন কৃষক কত সহজে প্রয়োজনীয় তথ্য পাচ্ছেন, একজন শিক্ষার্থী কত ভালোভাবে শিখতে পারছেন, একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি কতটা স্বাধীনভাবে ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করছেন এবং একজন সাধারণ নাগরিক কত কম ভোগান্তিতে সরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারছেন, তার ওপর।
এ জন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, সংবাদমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা প্রয়োজন। বাংলা ভাষার মানসম্মত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা, আঞ্চলিক ভাষার অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা, প্রযুক্তির নির্ভুলতা নিয়মিত যাচাই এবং ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখার বিষয়গুলোকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
বাংলা ভাষা শুধু সাহিত্য ও সংস্কৃতির বাহন নয়, এটি কোটি মানুষের জ্ঞান অর্জন, কাজকর্ম ও দৈনন্দিন যোগাযোগের মাধ্যম। সেই ভাষায় প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ বাড়ানো গেলে ডিজিটাল অগ্রযাত্রা আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে পারে। বাংলাভিত্তিক এআই তাই কেবল নতুন প্রযুক্তির সংযোজন নয়, বরং প্রযুক্তির সুফল দেশের প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ারও একটি সম্ভাব্য পথ।

