Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
জাতীয়

আওয়ামী লীগ আমলের ২৫১ গুমের তদন্ত শেষে এ বছরই বিচার শুরু

আওয়ামী লীগ আমলের ২৫১ গুমের তদন্ত শেষে এ বছরই বিচার শুরু

Oplus_131072


স্টাফ রিপোর্টার:
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত ২৫১টি গুমের ঘটনার তদন্ত শেষ করে চলতি বছরেই বিচারকাজ শুরুর লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
রোববার ট্রাইব্যুনালের নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুমের শিকার ২৫১ জনকে প্রায় একই কায়দায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তুলে নিয়ে গেছেন। ঘটনাগুলোর ধরনেও ব্যাপক মিল রয়েছে। এ কারণে এসব ঘটনাকে ‘ওয়াইডস্প্রেড অ্যান্ড সিস্টেমেটিক’ বা ব্যাপক ও পরিকল্পিত অপরাধ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।
তিনি জানান, রোববার গুমের শিকার পরিবারের ৫৫ জন সদস্য ট্রাইব্যুনালে এসে জবানবন্দি দিয়েছেন। তদন্ত সংস্থার ১৮ জন কর্মকর্তা তাদের বক্তব্য গ্রহণ করছেন। পর্যায়ক্রমে অন্য পরিবারগুলোর সদস্যদেরও জবানবন্দি নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তাদের কাছে থাকা প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হবে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, গুমের ঘটনায় জড়িত অনেককে ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে। কারা কীভাবে ভুক্তভোগীদের তুলে নিয়ে গেছেন এবং কোথায় এসব ঘটনা ঘটেছে, তারও অনেকাংশ চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে সব তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, অন্য মামলায় গ্রেপ্তার থাকা ব্যক্তিদের মধ্যেও কেউ কেউ এসব ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন। পাশাপাশি বর্তমানে কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যেও অভিযুক্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তদন্ত দ্রুত শেষ করে চলতি বছরের মধ্যেই বিচার শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে ট্রাইব্যুনাল।
গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্য ও শনাক্ত আসামিদের নিরাপত্তার বিষয়েও নজর রাখা হচ্ছে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের ভেতরে ও বাইরে আসামিদের আনা-নেওয়ার সময় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে গুম পরিবারের যেসব সদস্য সাক্ষ্য দিয়েছেন বা ভবিষ্যতে দেবেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে আবেদন জানানো হচ্ছে।
গুমের শিকার পরিবারের সদস্যরা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারেন—এমন আশঙ্কার কথাও জানান তিনি। তদন্ত যাতে কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত বা নস্যাৎ না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান চিফ প্রসিকিউটর।
এর আগে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে ২৫১ জনের গুমের অভিযোগ দেওয়া হয়। সংগঠনটির নেতৃত্বে রোববার ৫৫টি পরিবারের সদস্য ট্রাইব্যুনালে এসে জবানবন্দি দেন। তাদের বক্তব্য গ্রহণ করছেন তদন্ত সংস্থার ১৮ কর্মকর্তা।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies