স্টাফ রিপোর্টার:
গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ করবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। রাজধানীর মতিঝিলের ঐতিহাসিক শাপলা চত্বরে সমাবেশের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হবে।
লংমার্চটি শাপলা চত্বর থেকে শুরু হয়ে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজ, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার, ফেনীর মহিপাল ও চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা করবে। পরে রাতে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
লংমার্চকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনসহ দলের নেতারা।
এদিকে, শাপলা চত্বর থেকেই কেন লংমার্চ শুরু করা হচ্ছে—এ বিষয়ে জামায়াত নেতারা জানান, বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনা করেই স্থানটি বেছে নেওয়া হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, “অসংখ্য আন্দোলন-সংগ্রামের সুতিকাগার ঐতিহাসিক শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চের শুভ সূচনা হয়ে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে গিয়ে শেষ হবে।”
তিনি বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত ছয় দফা জনগণের অধিকার আদায়ের ঐতিহাসিক দাবি। মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ শেষে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু হবে।
১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা জানান, রাজধানীর শাপলা চত্বরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি জোটের বিভিন্ন বড় আন্দোলন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাশাপাশি হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের কারণেও স্থানটি দেশজুড়ে আলোচিত। ঐতিহাসিক গুরুত্বের পাশাপাশি চট্টগ্রামমুখী লংমার্চের যাত্রার সুবিধা বিবেচনা করেও শাপলা চত্বরে সমাবেশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চ শুরুর কারণ জানাল ১১ দলীয় ঐক্য
Oplus_131072
React:




