Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
জাতীয়

১০টি এয়ারবাস কিনবে বাংলাদেশ, অক্টোবরে চুক্তি: বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

১০টি এয়ারবাস কিনবে বাংলাদেশ, অক্টোবরে চুক্তি: বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি আগামী অক্টোবরে হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির কাছ থেকে ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করার পর মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এয়ারবাস কিনছি। ১০টি কিনছি। ইনশাআল্লাহ, অক্টোবরে চুক্তি হয়ে যাবে।’

তিনি জানান, এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে নির্ধারিত সময়ে উড়োজাহাজ পাওয়া নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে। এ কারণে সরকার বিভিন্নভাবে উড়োজাহাজ সংগ্রহের বিষয়টি বিবেচনা করছে।

বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে দুটি প্রায় গ্রাউন্ডেড হওয়ার অবস্থায় রয়েছে। ফলে কার্যকরভাবে প্রায় ১৭টি উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করতে হচ্ছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বর্তমান বহরের বেশ কয়েকটি উড়োজাহাজ পুরোনো হয়ে যাবে। এ কারণে বহর সম্প্রসারণের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

এর আগে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির কাছ থেকে ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বাংলাদেশ। এর আগে আরও ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছিল। সব মিলিয়ে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫টি।

বিমানমন্ত্রী বলেন, এসব উড়োজাহাজ একসঙ্গে দেশে আসবে না। চুক্তি অনুযায়ী প্রথম বোয়িং উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালে দেশে আসার কথা। এরপর পর্যায়ক্রমে ২০৩৫-৩৬ সাল পর্যন্ত উড়োজাহাজগুলো সরবরাহ করা হবে।

নতুন উড়োজাহাজ হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত বহর বাড়াতে লিজের মাধ্যমেও অন্তত ১০টি উড়োজাহাজ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। মন্ত্রী বলেন, ‘বিমানের বহরে উড়োজাহাজ বাড়ানোর জন্য আমরা কাজ করছি। ১০টি যদি বাড়ানো যায়, তাহলে ১৭টি চলমান উড়োজাহাজের সঙ্গে আরও ১০টি যোগ হবে। তখন আমাদের অনেকগুলো স্লট কাজে লাগানো সম্ভব হবে।’

তিনি বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে বিদেশি এয়ারলাইনসগুলো বেশি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। বাংলাদেশি এয়ারলাইনসের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন গন্তব্যে আরও ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

নিউইয়র্কে পুনরায় ফ্লাইট চালুর চেষ্টা চলছে বলেও জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি সিডনি রুট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। জাপানে বর্তমানে একটি ফ্লাইট চালু রয়েছে এবং সেখানে দ্বিতীয় ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এয়ারবাস কেনার ক্ষেত্রে কোনো চাপ বা শর্ত রয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোনো চাপে কিছু করছি না। আমাদের নিডসের কারণে করছি। আমাদের ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর জন্য করছি।’

তিনি আরও বলেন, কোন দেশ থেকে কতটি উড়োজাহাজ কেনা হবে, সেটি বাংলাদেশের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। দেশের প্রয়োজন ও অ্যাভিয়েশন খাতের স্বার্থ বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘কোন এয়ারক্রাফটটা কীভাবে আমাদের জন্য সুইটেবল, সেটা চিন্তা করেই কিন্তু আমরা করছি। বাংলাদেশ কীভাবে লাভবান হবে, কোথা থেকে কিনলে লাভবান হবে, কার কাছ থেকে কতটুকু কিনলে লাভবান হবে, সেসব আমাদের চিন্তা করা উচিত।’

অ্যাভিয়েশন খাত শক্তিশালী করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বহরে উড়োজাহাজ বাড়লে যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা বাড়বে, নতুন গন্তব্যে ফ্লাইট চালু করা যাবে এবং যাত্রীসেবার মানও উন্নত হবে। এর ফলে ভবিষ্যতে টিকিটের দাম কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মনে করি, আমাদের অ্যাভিয়েশন খাত শক্তিশালী করা দরকার। নিজস্ব এয়ারলাইনসের মাধ্যমে দেশের বেশি যাত্রী পরিবহন করা গেলে এ খাত থেকে আয় বাড়ার পাশাপাশি দেশের অর্থও দেশের মধ্যেই থাকবে।’

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies