Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
জাতীয়

হাদি হত্যা নিয়ে মন্তব্য: মমতার বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ

হাদি হত্যা নিয়ে মন্তব্য: মমতার বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ

Oplus_131072

নতুন জামালপুর ডেস্ক:
বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদী হত্যা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর মন্তব্যের জেরে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারের জমা দেওয়া প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মামলাটি খারিজ করে দেন।
এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বরের শুনানিতে মমতার মন্তব্যের বিষয়ে রাজ্য সরকারের কাছে প্রতিবেদন চেয়েছিলেন আদালত। বুধবার সেই প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়।
রাজ্য সরকারের প্রতিবেদনে বলা হয়, মমতার ওই মন্তব্যে কোনো আমলযোগ্য অপরাধের (কগনিজেবল অফেন্স) উপাদান পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদন পাওয়ার পরই আদালত মমতার বিরুদ্ধে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলাটি খারিজ করে দেন।
ধর্মতলার ধরনা মঞ্চে মমতার মন্তব্য
গত ২ জুন কলকাতার ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের হাদি হত্যা নিয়ে মন্তব্য করেন মমতা ব্যানার্জী।
ওই সময় সভায় উপস্থিত কয়েকজন তার কাছে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নাম প্রকাশের দাবি জানান। তবে মমতা নাম প্রকাশে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, জাতীয় স্বার্থের কারণে তিনি নাম প্রকাশ করবেন না।
যদিও তিনি সরাসরি কারও নাম উল্লেখ করেননি, প্রতিবেদনে বলা হয়—অনেকে তার বক্তব্যকে বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদী হত্যা নিয়ে ইঙ্গিত হিসেবে দেখেছিলেন। ওই বক্তব্যে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দিকেও ইঙ্গিত ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আদালতে জনস্বার্থ মামলা
মমতার ওই মন্তব্যের বিরোধিতা করে অভ্রতনু সরকার নামে এক ব্যক্তি কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেন।
মামলাটি জনস্বার্থ মামলা হিসেবে গ্রহণযোগ্য কি না, তা নিয়েও এর আগে প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী জানতে চেয়েছিলেন, কেন বিষয়টি জনস্বার্থ মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হবে।
আদালত থেকে জনস্বার্থ মামলাকে ‘যন্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও মামলাকারীদের উদ্দেশে মন্তব্য করা হয়েছিল।
শেষ পর্যন্ত রাজ্য সরকারের প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার পর বুধবার প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি খারিজ করে দেন।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies