Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
সরিষাবাড়ি

সরিষাবাড়ীতে ২৫ বছরেও হয়নি স্থায়ী সেতু, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার ১০ গ্রামের মানুষ

সরিষাবাড়ীতে ২৫ বছরেও হয়নি স্থায়ী সেতু, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার ১০ গ্রামের মানুষ


মোস্তাক আহমেদ মনির, সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি:
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে জিয়া খালের ওপর নির্মিত কাঠের সেতুটি দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এ সেতু দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী ও সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার ১০ গ্রামের মানুষ। দীর্ঘ ২৫ বছরেও স্থায়ী সেতু নির্মাণ না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। তাই পুরোনো পিলারের ওপর স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের টাকুরিয়া এলাকায় জিয়া খালের ওপর ২০০১ সালের পর একটি সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। তবে পিলার স্থাপনের পর অজ্ঞাত কারণে সেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়। এতে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার টাকুরিয়া, মালিপাড়া, ব্রাহ্মণজানী, মানিকপটল, বিন্নাফৈর ও চর সরিষাবাড়ী এবং সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার মনসুরনগর, শালগ্রাম, মাজনাবাড়ীসহ আশপাশের ১০ গ্রামের হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়েন।
বিশেষ করে শুকনো মৌসুমে পায়ে হেঁটে খাল পারাপার করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ বেড়ে যায়। তখন নৌকা ও বাঁশের সাঁকুই ছিল পারাপারের একমাত্র ভরসা। খালে পানি বেড়ে গেলে ওই এলাকার মানুষকে প্রায় সাত কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হতো। পরে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে পুরোনো পিলারের ওপর লোহার অ্যাঙ্গেল ও কাঠ দিয়ে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। তবে দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় সেতুটির কাঠ ও বিভিন্ন অংশ ভেঙে গেছে। এতে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
টাকুরিয়া গ্রামের আব্দুল হাই গেদা, সালাম মিয়া ও বাদল হোসেনসহ একাধিক কৃষক জানান, শুরুতে সেতুটি তাঁদের মনে আশার সঞ্চার করেছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনেও স্থায়ী সেতু নির্মাণ না হওয়ায় সেটিই এখন দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পিলার নির্মাণের প্রায় ২৫ বছর পার হলেও পূর্ণাঙ্গ সেতু নির্মিত হয়নি। এতে তাঁদের ভোগান্তির শেষ হচ্ছে না।
স্থানীয় সমাজসেবক বাবুল সরকার বলেন, চরাঞ্চলের মানুষের আয়ের প্রধান উৎস কৃষি। উৎপাদিত ফসলের ভালো ফলন হলেও খালের ওপর মজবুত সেতু না থাকায় কৃষকেরা কৃষিপণ্য সহজে বাজারে নিতে পারছেন না। ফলে ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়েও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাঁদের। এ ছাড়া বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ সেতু এবং খানাখন্দে ভরা সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হয়।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের কাছে এলাকাবাসীর দাবি, জিয়া খালের ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ এবং সেতুর সংযোগ সড়কটি মেরামতের ব্যবস্থা করা হোক।
এ বিষয়ে পোগলদিঘা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোবারক আলী বলেন, এলাকাবাসীর মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। স্থানীয়দের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমাতে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে সেতুটির লোহার অ্যাঙ্গেল ও কাঠ পরিবর্তন করে সংস্কার করা হবে। পরবর্তী সময়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের সঙ্গে কথা বলে সেখানে স্থায়ী সেতু নির্মাণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies