Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
জাতীয়

শান্তি বাহিনীর গুলিতে শহীদ বীর বিক্রম আবেদ আলীকে সেনাবাহিনীর স্মরণ

শান্তি বাহিনীর গুলিতে শহীদ বীর বিক্রম আবেদ আলীকে সেনাবাহিনীর স্মরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে ১৯৮৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর শান্তি বাহিনীর অ্যামবুশে শহীদ হন ১২ ইস্ট বেঙ্গল, ‘দি স্ট্রাইকিং টুয়েলভ’-এর ল্যান্স নায়েক মো. আবেদ আলী। ১০ সেপ্টেম্বর এক ফেসবুক পোস্টে তার সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্মরন করে সেনাবাহিনী। তার স্বীকৃতিস্বরূপ পরে তাঁকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়।

ল্যান্স নায়েক মো. আবেদ আলী ১৯৮৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের জুরাছড়ি জোনে ১২ ইস্ট বেঙ্গলের সঙ্গে কর্মরত ছিলেন।

১০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে জুরাছড়ি জোনের অন্তর্গত মদইন্যাপাড়া ক্যাম্প থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শান্তি বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে একটি টহল দল বের হয়। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন মেজর শহীদ আহমেদ।

অত্যন্ত সাহসী সেনাসদস্য হিসেবে পরিচিত ল্যান্স নায়েক আবেদ ওই টহল দলের এক নম্বর স্কাউট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

ঘন অরণ্যে অ্যামবুশ

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ঘন অরণ্যের মধ্য দিয়ে টহল চলার একপর্যায়ে আনুমানিক সকাল ১১টার দিকে দলটি শান্তি বাহিনীর অ্যামবুশের মুখে পড়ে।

এ সময় শান্তি বাহিনীর স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলিবর্ষণ শুরু হলে ল্যান্স নায়েক আবেদ গুরুতর আহত হন। গুলিবিদ্ধ অবস্থাতেও তিনি পিছিয়ে না গিয়ে শান্তি বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে তাঁর এসএমজি থেকে গুলি চালিয়ে যেতে থাকেন।

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রতিরোধ

একপর্যায়ে শান্তি বাহিনীর নিক্ষেপ করা গ্রেনেডের আঘাতে তিনি আরও গুরুতর আহত হন। পরে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

মর্মান্তিকভাবে আহত হওয়ার পরও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ল্যান্স নায়েক আবেদ আলী শান্তি বাহিনীর আক্রমণ প্রতিহত করার চেষ্টা চালিয়ে যান। তাঁর এই সাহসিকতা ও আত্মত্যাগ সহযোদ্ধাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে রয়েছে।

বীরত্বের স্বীকৃতি

অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ মহামান্য রাষ্ট্রপতি ল্যান্স নায়েক মো. আবেদ আলীকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করেন।

জুরাছড়ির দুর্গম পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাঁর আত্মত্যাগ দেশের সামরিক ইতিহাসে বীরত্বের একটি স্মরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies