Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
জাতীয়

চলতি মাসেই রায় হতে যাচ্ছে দুই মামলার

চলতি মাসেই রায় হতে যাচ্ছে দুই মামলার

জুলাই আন্দোলন ঘিরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই মামলার রায় চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ঘোষণা হতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এর মধ্যে একটি মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজন আসামি। অন্য মামলায় দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফসহ চারজন আসামি রয়েছেন।প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় প্রাথমিকভাবে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ঘোষণার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আজ রোববার দেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে কুষ্টিয়ায় জুলাই আন্দোলন ঘিরে হত্যাকাণ্ডের মামলাটির রায় সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে ঘোষণা হতে পারে।দুটি মামলারই বিচারিক কার্যক্রম শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। মামলাগুলোর বিচার হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির।ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিওবায়দুল কাদেরের মামলার অপর আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।গত ১৭ আগস্ট প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।যুক্তিতর্কে প্রসিকিউশন দাবি করে, জুলাই আন্দোলন ঘিরে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বৈঠকে আন্দোলনকারীদের হত্যার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করা হয়েছিল। মামলায় দাখিল করা বিভিন্ন অডিও-ভিডিওতে এর প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।প্রসিকিউশনের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের। তার সঙ্গে বৈঠকে বাহাউদ্দিন নাছিমও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া পরশ ও নিখিলের নির্দেশে যুবলীগের নেতাকর্মীরা সারা দেশে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় বলে অভিযোগ করা হয়।ট্রাইব্যুনালে নিখিলের সরাসরি ছাত্র-জনতার ওপর হামলায় নেতৃত্ব দেওয়ার ভিডিও এবং ওবায়দুল কাদের ও পরশের কথোপকথনের অডিও উপস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ইনানের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনাও তুলে ধরে প্রসিকিউশন।প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, যৌথ অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে একই উদ্দেশ্যে কোনো গ্রুপ অপরাধ করলে ওই গ্রুপের প্রত্যেক সদস্যই অপরাধের জন্য দায়ী হতে পারেন। সরাসরি অংশ না নিলেও অপরাধের দায় থেকে কেউ মুক্তি পাবেন না।এই মামলায় ২৮ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে আসামিদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন। প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছে।তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের নির্দোষ দাবি করে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন।চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, সাত আসামির বিরুদ্ধে অপরাধের যাবতীয় প্রমাণ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগগুলো যথাযথভাবে প্রমাণ করতে পেরেছেন বলে তারা মনে করছেন এবং আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির আশা করছেন।চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। এর আগে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় আদালত।কুষ্টিয়ার মামলায় হানিফসহ চার আসামিঅন্যদিকে জুলাই আন্দোলনে কুষ্টিয়ায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফসহ চারজন আসামি রয়েছেন।অন্য আসামিরা হলেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। চার আসামিই বর্তমানে পলাতক।গত ১০ জুন আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। এ মামলায় ১৯ জন সাক্ষী আসামিদের বিরুদ্ধে জবানবন্দি দিয়েছেন।পরবর্তীতে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আরও দুজন সাক্ষী উপস্থাপনের আবেদন করা হলে ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করেন। যাবতীয় বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে চলতি সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে মামলাটির রায় ঘোষণা হতে পারে বলে প্রসিকিউশন সূত্র জানিয়েছে।গত বছরের ৫ অক্টোবর এ মামলায় চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। পরদিন তা আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। পরে ২ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে চার আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies