জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনার জন্য দুজনকে বরখাস্ত করার মধ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষই স্বীকার করেছে সেখানে অব্যবস্থাপনা ছিল। সেই অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কথা বলে আখতারুজ্জামান যথার্থ কাজই করেছেন। অথচ তার বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে। এই মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। একইসঙ্গে রিমান্ডের আদেশ বাতিল করে তাকে মুক্তি দিতে হবে। শনিবার দুপুরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে সাজানো মামলায় গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় ।
এসময় গোলাম পরওয়ার বলেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১ অক্টোবরের ঘটনায় সারা দেশের মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যকে হাতকড়া পরিয়ে আদালতে তোলা এবং রিমান্ডে নেয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিমানবন্দরে প্রায় ৩৪ জন সংসদ সদস্যসহ অনেক নেতাদের অবতরণের পর লাগেজ, জমজমের পানি ও ট্রলি না পেয়ে তিন-চার ঘণ্টা অপেক্ষা করেছেন। ভিআইপি যাত্রী হিসেবে সেখানে উত্তেজিত হয়ে কর্তৃপক্ষকে শক্ত কথা বলা নাগরিক অধিকার। আখতারুজ্জামান সেই অধিকারই প্রয়োগ করেছেন।
তিনি বলেন, মামলার এজাহারে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে গায়ে হাত দেয়া, আঘাত ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু ওই সময় আমাদের এমপি কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেছেন, আখতারুজ্জামান কারও গায়ে হাত তোলেননি বা কাউকে নাজেহাল করেননি। তিনি যা বলেছেন, তা ভিডিওতেও দেখা যাচ্ছে।
মামলা প্রসঙ্গে গোলাম পরওয়ার বলেন, বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনার জন্য দুজনকে বরখাস্ত করার মধ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষই স্বীকার করেছে যে, সেখানে অব্যবস্থাপনা ছিল। সেই অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কথা বলায় আখতারুজ্জামান তো যথার্থ কাজই করেছেন। অথচ তার বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে। এই মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে রিমান্ডের আদেশ বাতিল করে তাকে মুক্তি দিতে হবে।




