Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
সরিষাবাড়ি

সরিষাবাড়ীতে গ্রাহকদের প্রায় ৪০ কোটি টাকা নিয়ে উধাও দুই সমবায় সমিতি : দিশেহারা ২ হাজারের বেশি গ্রাহক

সরিষাবাড়ীতে গ্রাহকদের প্রায় ৪০ কোটি টাকা নিয়ে উধাও দুই সমবায় সমিতি : দিশেহারা ২ হাজারের বেশি গ্রাহক

মোস্তাক আহমেদ মনির ||

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলা ও পাশ্ববর্তী ধনবাড়ী উপজেলার ২ হাজারের বেশি গ্রাহকের প্রায় ৪০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে উধাও হয়ে গেছে দুটি সমবায় সমিতি। সয়া বাজারে অবস্থিত ‘গ্রামীণ সেবা ঋণদান সমবায় সমিতি’ ও ‘একতা ঋণদান সমবায় সমিতি’ নামের এই দুটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধাররা গা ঢাকা দেওয়ায় শত শত সাধারণ গ্রাহক ও বিনিয়োগকারী এখন সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরিষাবাড়ীর বিভিন্ন গ্রামের  ও ধনবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে উচ্চ মুনাফার লোভ দেখিয়ে এবং বিভিন্ন স্কিমের নামে সঞ্চয় সংগ্রহ করে আসছিল সয়া বাজারে অবস্থিত গ্রামীণ সেবা ঋণদান সমবায় সমিতি ও একতা ঋণদান সমবায় সমিতি নামে দুই প্রতিষ্ঠান। হঠাৎ করে সমিতি দুটির কার্যালয় বন্ধ করে গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ করে  মালিকপক্ষ পালিয়ে যাওয়ায় বিষয়টি জানাজানি হয়। এতে এলাকার সাধারণ মানুষ চরম উৎকণ্ঠা ও দিশাহারা অবস্থায় পড়েন। অভিযুক্তদের মধ্যে গ্রামীণ সেবা ঋণদান সমবায় সমিতির মালিক লতিফ মিয়া এবং একতা ঋণদান সমবায় সমিতির মালিক রফিকুল ইসলাম রফিক ও শামছুল হক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

এদিকে শনিবার মধ্যরাতে বন্ধ সমিতির কার্যালয়ের সকল মালামাল নিতে আসেন পলাতক একতা ঋণদান সমবায় সমিতির মালিক রফিকুল ইসলামের বেয়াই হাবিল মিয়া। এসময় স্থানীয় ভুক্তভোগী গ্রাহকরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে আটক করে সমিতি কার্যালয়ে বন্ধ করে রাখে। পরে দুই উপজেলার হাজার হাজার গ্রাহক বিক্ষোভ শুরু করে। এক পর্যায়ে ধনবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে হাবিলকে আটক করে নিয়ে যান। এই আকস্মিক প্রতারণায় সর্বস্ব হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এলাকার অনেক সাধারণ মানুষ। 

ভুক্তভোগী গ্রাহক নিলুফা ইয়াসমিন, শফিকুল ইসলাম, জয়নব বেওয়া, স্বপ্না বেগম, নূূরজাহান বেগম, ফারুক মিয়া, মোস্তফা মোজাম্মেল, মৌটুসি বেগমসহ আরও অনেকে অভিযোগ করে বলেন, সারাজীবনের কষ্টের জমানো সব সঞ্চয় এই সমবায় সমিতিগুলোতে রেখেছিলাম। এখন লভ্যাংশ তো দূরের কথা, মূল টাকা ফেরত পাওয়ার আশাও দেখা যাচ্ছে না। ঘটনার পর থেকে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতারক সমবায় সমিতিগুলোর কর্মকর্তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং গ্রাহকদের আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে থাকা ধনবাড়ী থানার এসআই জাকির হোসেন বলেন, সয়া বাজারে বিশৃঙ্খলার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করি। পরবর্তীতে আটক থাকা সমিতি মালিকের বেয়াই হাবিল মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে যাই।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies