Skip to content
৫ নভেম্বর ২০২৬ (২০ কার্তিক ১৪৩৩)
সর্বশেষ
এমপি মামুনের উদ্যোগে চার লেনে উন্নীত হচ্ছে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়ক জামালপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে মাদ্রাসাশিক্ষকের ৮ বছরের কারাদণ্ড নাব্যতা রক্ষায় সারাদেশে ৮ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ সরকারের গাজীপুরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল পোশাকশ্রমিক তৌফিকের, দুধ আনতে গিয়ে আর ফেরা হলো না জামালপুরে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ভেকু জব্দ বাবাকে হারানোর শোক পেরিয়ে শোভার জিপিএ-৫, স্বপ্ন আইন নিয়ে পড়ার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না এলপিজি, বাজারে শৃঙ্খলা জরুরী প্রথম কলাম ।। ৫ নভেম্বর হেমন্তের কুয়াশায় শীতের আগমনী সুর
জামালপুর

জামালপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় ১১ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

জামালপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় ১১ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

হৃদয় আহমেদ, জেলা প্রতিনিধি, জামালপুর:

জামালপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী তমা খাতুনকে শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় ১১ বছর পর স্বামী জনি মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হলেন- জনি মিয়া (২৫) জামালপুর সদর উপজেলার লাহারিকান্দা গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে।

জানা গেছে, তমা খাতুনের সঙ্গে জনি মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় মেয়ের পরিবার থেকে পাঁচ হাজার টাকা, হাঁড়ি-পাতিল ও কাপড়চোপড় দেওয়া হয়। বিয়ের চার মাস পর স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় গিয়ে অটোরিকশা কেনার জন্য শাশুড়ির কাছে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করেন জনি। তবে দরিদ্র পরিবারের পক্ষে ওই টাকা দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য তমাকে চাপ দেওয়া হতো। এ নিয়ে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল।

এরপর ২০১৫ সালের ১৯ মার্চ সকালে বাজার করে আনা নিয়ে জনি ও তার মা জোসনা বেগমের সঙ্গে তমার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জনি তমাকে ঘরের ভেতরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যা করেন বলে অভিযোগ করেন তমার মা উম্মে কুলছুম। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রচার করতে তমার মরদেহ ঘরের ধর্নার সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

ওই দিন দুপুরে তমার মৃত্যুর খবর পান স্বজনেরা। রাতে জামালপুরে এসে তারা ঘরের মেঝেতে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। প্রথমে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা মনে করে অপমৃত্যুর মামলা করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে তমাকে শ্বাসরোধে হত্যার বিষয়টি উঠে এলে তার মা উম্মে কুলছুম হত্যা মামলা দায়ের করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, আদালতে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে স্ত্রী হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন এবং পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

React:

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Theme by Jhinai Technologies