স্টাফ রিপোর্টার:
নতুন ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জের বদলির আদেশ বাতিলের দাবিতে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে শিক্ষার্থীদের অনির্দিষ্টকালের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে নতুন ইনচার্জ মাকসুদা ইয়াসমিন কলেজে প্রবেশ করে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেননি। এতে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম ও হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষার্থীরা কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাকসুদা ইয়াসমিন কলেজে পৌঁছালে তাঁকে প্রবেশে বাধা দেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তাঁরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটে দায়িত্ব পালনের সময় মাকসুদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আচরণ শিক্ষার্থীবান্ধব ছিল না বলেও দাবি তাঁদের। এ কারণে তাঁকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ হিসেবে মেনে নিতে রাজি নন তাঁরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী জয় ও ফারহানা জানান, তাঁদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে। তবে মাকসুদা ইয়াসমিনের পরিবর্তে অন্য কাউকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হলে তাঁদের আপত্তি নেই।
কলেজের নার্সিং ইন্সট্রাক্টর সামিনা আক্তার বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে শিক্ষকরা কলেজের ভেতরে প্রবেশ করতে পারছেন না। ফলে ক্লাসসহ হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসও বন্ধ রয়েছে।
এদিকে যোগদানে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে চক্রান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন মাকসুদা ইয়াসমিন। তিনি জানান, আন্দোলনকারীদের বাধার কারণে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেননি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন বলেও জানান তিনি।
জানা গেছে, গত ১২ অক্টোবর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের এক আদেশে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ শাহজাদী মাহমুদাকে শেরপুরে এবং শেরপুরের মাকসুদা ইয়াসমিনকে জামালপুরে বদলি করা হয়। ওই আদেশের পর থেকেই বদলি বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন জামালপুরের শিক্ষার্থীরা।
জামালপুর নার্সিং কলেজে শিক্ষার্থীদের শাটডাউন, যোগ দিতে পারেননি নতুন ইনচার্জ
React:




